ইতিহাসে লখনউ! ব্রহ্মস মিসাইলের প্রথম ব্যাচের রোল আউট করলেন রাজনাথ-যোগী, ‘আত্মনির্ভর ভারত’-এর নতুন মাইলফলক

প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং আজ উত্তরপ্রদেশের লখনউতে ব্রহ্মোস অ্যারোস্পেস প্রোডাকশন ইউনিট থেকে ব্রহ্মস মিসাইলের প্রথম ব্যাচের আনুষ্ঠানিক সূচনা করলেন। এই ঐতিহাসিক মুহূর্তে তাঁর সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর ঘোষণার কয়েক মাস পরই ‘আত্মনির্ভর ভারত’ মিশনের অধীনে এই গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ নেওয়া হলো।

প্রধানমন্ত্রীর ঘোষণার পরই তৎপরতা:

আগস্ট মাসে বারাণসীতে একটি জনসভায় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী ভারতের বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার প্রশংসা করে ঘোষণা করেছিলেন যে, ব্রহ্মোস মিসাইল এখন লখনউতে তৈরি করা হবে। তিনি বলেছিলেন, “অপারেশন সিঁদুরের সময়, বিশ্ব আমাদের দেশীয় অস্ত্রের ক্ষমতা দেখেছে। আমাদের এয়ার ডিফেন্স সিস্টেম, মিসাইল এবং ড্রোন ‘আত্মনির্ভর ভারত’-এর শক্তি প্রমাণ করেছে, বিশেষ করে ব্রহ্মোস মিসাইল।”

অপারেশন ‘সিঁদুর’-এ ব্রহ্মসের ভূমিকা:

ব্রহ্মস মিসাইল, যা প্রতিরক্ষা গবেষণা ও উন্নয়ন সংস্থা (ডিআরডিও) এবং রাশিয়ার প্রতিরক্ষা সংস্থার যৌথ ডিজাইনে তৈরি, ‘অপারেশন সিঁদুর’-এর সময় ভারতীয় প্রতিরক্ষা বাহিনীকে দারুণভাবে সাহায্য করেছিল।

লক্ষ্যে নির্ভুল আঘাত: চার দিনের সংঘর্ষের সময় পাকিস্তানের বিমান ঘাঁটি এবং সেনা ছাউনিগুলিতে বড় আকারে ক্ষতি করার জন্য এই মিসাইলগুলি ব্যবহার করা হয়েছিল। সংঘর্ষের প্রথম পর্যায়ে, ভারত যখন পাকিস্তানের পাঞ্জাব প্রদেশে জইশ-ই-মহম্মদ এবং লস্কর-ই-তৈবার সন্ত্রাসী সদর দফতর সহ পরিকাঠামোর ওপর হামলা চালায়, তখন ভারতীয় বিমান বাহিনীর প্রধান পছন্দের অস্ত্র ছিল ব্রহ্মস মিসাইল, যা অত্যন্ত নির্ভুল ভাবে লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানে।

প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং বলেন, অপারেশন সিঁদুর প্রমাণ করেছে ভারত এখন বিদেশি প্রযুক্তির উপর নির্ভর না করেও জটিল সামরিক অভিযান পরিচালনা করতে সক্ষম।

Related Posts

© 2026 Tips24 - WordPress Theme by WPEnjoy