অনলাইন বেটিং অ্যাপ কেলেঙ্কারির তদন্তে এবার নাম জড়াল যাদবপুরের প্রাক্তন তৃণমূল সাংসদ এবং জনপ্রিয় অভিনেত্রী মিমি চক্রবর্তী-র। এই মামলায় জড়িত থাকার অভিযোগে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তাকে দিল্লিতে এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট (ED) দফতরে তলব করা হয়েছিল, এবং সোমবার তিনি সেখানে হাজিরা দেন।
ইডি সূত্রে খবর, বেআইনি বেটিং অ্যাপগুলির আর্থিক লেনদেন সংক্রান্ত কিছু নথি তাদের হাতে এসেছে, যেখানে দেখা যাচ্ছে বেশ কয়েকজন সেলিব্রিটি এই অ্যাপগুলোর প্রচারে অংশ নিয়েছেন। ইডির ধারণা, এই প্রোমোশনগুলোর মাধ্যমে কোটি কোটি টাকা বেআইনি পথে হাতবদল হয়েছে। এই লেনদেনের সূত্র ধরেই মিমি চক্রবর্তীকে দিল্লিতে তলব করা হয়।
সোমবার সকালে দিল্লির জামনগর হাউসের ইডি দফতরে মিমি কয়েক ঘণ্টা ধরে জিজ্ঞাসাবাদের মুখোমুখি হন। ইডি সূত্র অনুযায়ী, মিমি দাবি করেছেন যে তিনি কোনো বেআইনি লেনদেনের সঙ্গে যুক্ত নন। তার বক্তব্য, তিনি শুধুমাত্র প্রোমোশনের জন্য কাজ করেছিলেন এবং অ্যাপগুলোর আর্থিক কর্মকাণ্ডের সঙ্গে তার কোনো যোগ নেই।
এই বেটিং অ্যাপ কেলেঙ্কারিতে এর আগেও একাধিক সেলিব্রিটির নাম উঠে এসেছে। অভিযোগ, এই অ্যাপগুলোর মাধ্যমে শুধু আর্থিক লেনদেনই নয়, অর্থপাচারের একটি বড় চক্রও সক্রিয় ছিল। ইডি এখন মিমির বয়ান এবং অ্যাপগুলোর আর্থিক নথি মিলিয়ে দেখছে।
মিমি চক্রবর্তী কেবল একজন জনপ্রিয় অভিনেত্রীই নন, তিনি যাদবপুরের প্রাক্তন সাংসদও। তাই ইডির এই তলব রাজনৈতিক মহলেও চাঞ্চল্য সৃষ্টি করেছে। বিরোধীরা এই ঘটনাকে হাতিয়ার করে প্রশ্ন তুলেছে যে কেন বারবার তৃণমূলের নেতানেত্রীরা কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার তালিকায় উঠে আসছেন।