আজ সকালে হরিদ্বারের মনসা দেবী মন্দিরে ভক্তদের মাত্রাতিরিক্ত ভিড়ের কারণে এক মর্মান্তিক পদপিষ্টের ঘটনা ঘটেছে। এই দুর্ঘটনায় এখনো পর্যন্ত ৬ জনের মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করা হয়েছে এবং প্রায় ১৫ জন গুরুতর আহত হয়েছেন। নিহতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।
ঘটনাস্থলে পৌঁছেছেন গাড়োয়ালের ডিভিশনাল কমিশনার বিনয়শঙ্কর পাণ্ডে। তিনি সংবাদ সংস্থা ANI-কে জানিয়েছেন, “হরিদ্বারের মনসা দেবী মন্দিরে বিশাল জনসমাগমের পর পদপিষ্ট হয়ে ৬ জনের মৃত্যু হয়েছে। আমি ঘটনাস্থলের উদ্দেশে রওনা হচ্ছি। ঘটনার বিস্তারিত প্রতিবেদনের জন্য অপেক্ষা করা হচ্ছে।”
প্রশাসনের বক্তব্য
হরিদ্বারের স্থানীয় প্রশাসনিক আধিকারিকরা জানিয়েছেন, মনসা পুজো উপলক্ষে আজ মন্দিরে প্রচুর ভক্ত সমাগম হয়েছিল। ভিড়ের মধ্যে হুড়োহুড়ি শুরু হলে এই দুর্ঘটনা ঘটে। খবর পেয়েই স্থানীয় পুলিশ এবং প্রশাসনিক দল দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছায়। যুদ্ধকালীন তৎপরতায় উদ্ধারকাজ চালানো হচ্ছে এবং আহতদের নিকটবর্তী হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য নিয়ে যাওয়া হয়েছে।
এই ঘটনায় এলাকায় তীব্র চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়েছে। পুলিশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা করছে। প্রাথমিকভাবে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে মৃত্যুর যে খবর ছড়িয়েছিল, তা সম্পূর্ণ গুজব বলে নিশ্চিত করেছেন বিনয়শঙ্কর পাণ্ডে।
পূর্ববর্তী একই ধরনের ঘটনা
২৯শে জুন, ২০২৫ (পুরী): রথযাত্রার সময় পুরীতে একই ধরনের পদপিষ্টের ঘটনা ঘটেছিল, যেখানে ৩ জন ভক্তের মৃত্যু হয় (২ জন মহিলা) এবং কমপক্ষে ৫০ জন আহত হন।
৩রা মে, ২০২৫ (উত্তর গোয়া): উত্তর গোয়ার একটি মন্দিরে পদপিষ্ট হয়ে ৬ জনের মৃত্যু হয়েছিল।
৮ই জানুয়ারি, ২০২৫ (তিরুপতি): তিরুপতি মন্দিরে বৈকুণ্ঠ একাদশীর টিকিট কেনার জন্য ভিড়ে পদপিষ্ট হয়ে ৬ জনের মৃত্যু হয় এবং ২০ জন আহত হন।
এই ঘটনাগুলি আবারও ধর্মীয় সমাবেশগুলিতে ভিড় নিয়ন্ত্রণের গুরুত্ব তুলে ধরল।