বিশেষ: মাত্র ৩০ টাকা কেজি, এই জিনিস জমিতে দিলেই, ধানের ফলন হবে বাম্পার

রাসায়নিক সারের অতিরিক্ত ব্যবহার একদিকে যেমন মাটির স্বাস্থ্যের হানি করছে, তেমনই মানুষের দেহে নানা ক্ষতিকর প্রভাব ফেলছে। এর মোকাবিলায় কৃষি বিজ্ঞানীরা এখন প্রাকৃতিক কৃষিকেই সামনে আনছেন। বাংলায় এখন ধান চাষের মরসুম। চলছে রোয়ার কাজ। এই সময়েই বিশেষজ্ঞরা পরামর্শ দিচ্ছেন— রাসায়নিক সার নয়, বরং ধান চাষে ব্যবহার করুন সর্ষের খোল।
সর্ষের খোল মূলত পশুখাদ্য হিসেবেই পরিচিত। কিন্তু কৃষি বিজ্ঞানীরা বলছেন, এটি মাটির জন্যও অত্যন্ত উপযোগী। সর্ষের খোলে থাকা নাইট্রোজেন, সালফার, বোরন, ফসফরাস, পটাশ এবং জিঙ্কের মতো পুষ্টিকর উপাদান ধান গাছের বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। শুধু গাছের বৃদ্ধি নয়, ফসলের গুণগত মান এবং ফলনের পরিমাণ দুই-ই বাড়ে এর ব্যবহারে।
কীভাবে ব্যবহার করবেন?
সর্ষের খোল সরাসরি জমিতে ছড়িয়ে দেওয়া যেতে পারে। আবার, জলে ভিজিয়ে পচিয়ে তরল সার হিসেবেও ব্যবহার করা যায়। জমিতে রোয়ার আগেই খোল ছড়িয়ে দিলে গাছের গোড়া মজবুত হয়। প্রতি বিঘে জমিতে ৫ থেকে ৭ কেজি খোল গুঁড়ো করে ব্যবহার করলেই যথেষ্ট। এর ফলে অঙ্কুরোদ্গম ত্বরান্বিত হয়, ধান গাছে চকচকে ভাব আসে এবং ওজনও বৃদ্ধি পায়।
কী উপকার পাবেন কৃষকরা?
ধান গাছে পোকামাকড়ের আক্রমণ কমবে
রাসায়নিক সারের খরচ বাঁচবে
মাটির স্বাস্থ্যের উন্নতি ঘটবে
উৎপাদন বাড়বে ও ধান হবে উন্নত মানের
পরিবেশ থাকবে দূষণমুক্ত
বিশেষজ্ঞদের বার্তা, “প্রাকৃতিক কৃষিতে ফিরলে শুধু জমিই নয়, সুস্থ থাকবে মানুষও।” এই নতুন উদ্যোগের ফলে আগামী দিনে কৃষকরা আরও বেশি লাভবান হবেন বলেই আশা করা যাচ্ছে।
(Disclaimer: এই প্রতিবেদনটি কৃষি তথ্য ও বিশেষজ্ঞদের মতামতের ভিত্তিতে রচিত)