সোশ্যাল মিডিয়ায় ‘হানিমুন’ কোড ব্যবহার করে পরপুরুষদের সঙ্গে বিভিন্ন হোটেলে গিয়ে ফুর্তি করার অভিযোগে এক অষ্টাদশী গৃহবধূকে হাতেনাতে ধরলেন তাঁর স্বামী। মালদার কালিয়াচকের একটি নামজাদা হোটেলে পুলিশের সহায়তায় স্ত্রীকে এক পরপুরুষের সঙ্গে অসংলগ্ন অবস্থায় ধরে ফেলেন ওই ব্যবসায়ী স্বামী। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্য সৃষ্টি হয়েছে।
সোশ্যাল মিডিয়ার হাতছানি: মোটা টাকায় ঘনিষ্ঠতা
জানা গেছে, ধবধবে ফর্সা, স্লিম চেহারা এবং চেরি রঙের চুলের স্টাইল – অষ্টাদশী ওই গৃহবধূর সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট করা এমন সাজসজ্জার ছবি বহু পরপুরুষের নজর কেড়েছিল। এরপর মোটা টাকার বিনিময়ে তিনি বিভিন্ন হোটেলে গিয়ে পরপুরুষদের সঙ্গে সময় কাটাতেন বলে অভিযোগ। বিয়ের এক বছরের মধ্যেই স্ত্রীর এমন চালচলন দেখে ব্যবসায়ী স্বামীর মনে সন্দেহ দানা বাঁধতে শুরু করে। কিন্তু স্ত্রীর এই চালাকি এবং হোটেলের কার্যকলাপ কোনোভাবেই তিনি ধরতে পারছিলেন না।
মোবাইল ট্র্যাক করে পর্দাফাঁস, পুলিশের হাতে গ্রেফতার স্ত্রী
অবশেষে, স্বামী তার স্ত্রীর মোবাইলের সোশ্যাল মিডিয়া গ্রুপগুলো ট্র্যাক করে কিছু সূত্র খুঁজে পান। এরপর তিনি পুলিশের সহযোগিতা নেন। সেই সূত্র ধরে পুলিশ ও স্বামীর যৌথ প্রচেষ্টায় কালিয়াচকের একটি নামজাদা হোটেল থেকে স্ত্রীকে এক পরপুরুষের সঙ্গে অসংলগ্ন অবস্থায় হাতেনাতে ধরে ফেলা হয়।
এই ঘটনাটি প্রকাশ্যে আসতেই কালিয়াচক জুড়ে ব্যাপক আলোচনা শুরু হয়েছে। ডিজিটাল যুগে সোশ্যাল মিডিয়ার অপব্যবহার এবং সম্পর্কের জটিলতা এই ঘটনায় নতুন করে আলোচনার জন্ম দিয়েছে। এই ঘটনা সমাজে ব্যক্তিগত নৈতিকতা ও প্রযুক্তির অপব্যবহারের পরিণতি নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন তুলছে।