বিজেপি বিরোধী হিসেবে পরিচিত সোশ্যাল মিডিয়া ইনফ্লুয়েন্সার তথা কনটেন্ট ক্রিয়েটর ধ্রুব রাঠি (Dhruv Rathee) বিহার বিধানসভা নির্বাচনের ফলাফল স্পষ্ট হওয়ার পর আবারও বিতর্কে জড়ালেন। দুপুর গড়াতেই যখন এনডিএ-এর নিশ্চিত জয়ে গেরুয়া আবিরের ঝড় ওঠে, তখন এক্স প্ল্যাটফর্মে (সাবেক টুইটার) একের পর এক বিতর্কিত মন্তব্য পোস্ট করে তিনি নেটনাগরিকদের একাংশের তীব্র ট্রোলিংয়ের শিকার হন।
নিজের প্রথম পোস্টে ধ্রুব রাঠি লেখেন, “এত আনন্দ কিসের? অর্ধেকের বেশি জনগণ জানেন, কারচুপি করে ভোটে জেতা হয়েছে”। এই পোস্টটি ১ মিলিয়নেরও বেশি ভিউ অর্জন করে। ইউটিউবার ধ্রুব রাঠিকে সমাজমাধ্যমে প্রায়ই ‘কংগ্রেসের দালাল’ বলে কটাক্ষ করা হয়। জার্মানিতে বসে ভারতের রাজনীতি নিয়ে তাঁর মন্তব্য করার কারণেও তিনি ব্যাপক ট্রোলিংয়ের সম্মুখীন হন। তবে তিনি বরাবরই নিজেকে পক্ষপাত-বিহীন মতামত পেশকারী বলে দাবি করেন।
তাঁর এই মন্তব্যের পক্ষে নেটিজেনদের একাংশ ভোটের ফলাফলে কারচুপির অভিযোগ তুললেও, বেশিরভাগ মানুষ রাঠিকে কটাক্ষ করেছেন।
নির্বাচন কমিশনকে তোপ ও নির্বাচন বয়কটের পরামর্শ:
তবে একটি পোস্টেই থেমে থাকেননি এই ইনফ্লুয়েন্সার। এনডিএ-এর জয় নিয়ে মন্তব্যের পর তিনি সরাসরি নির্বাচন কমিশনের দিকে আঙুল তোলেন। ধ্রুব রাঠি বলেন, “২০২৪-এর মার্চ-এ জ্ঞানেশ কুমারকে মুখ্য নির্বাচন কমিশনার হিসেবে নিয়োগ করা হয়। বাকিটা ইতিহাস”।
এরপর তিনি বিরোধী দলগুলোকে নির্বাচন বয়কটের পরামর্শ দিয়ে আরও একটি পোস্ট করেন। তিনি লেখেন, “সত্যি বলতে, আমার মনে হয় বিরোধী দলগুলোর এই নির্বাচন বয়কট করা উচিত ছিল তারা আগে থেকেই জানত যে SIR এবং ভোট চুরির পরে কী ঘটছে। মহাত্মা গান্ধীর কাছ থেকে শিখুন।”
তাঁর এই ধারাবাহিক বিতর্কিত মন্তব্যে সোশ্যাল মিডিয়ায় তোলপাড় সৃষ্টি হয়েছে, এবং তিনি আবারও কট্টর বিজেপি সমর্থকদের নিশানায় এসেছেন।