আগামীকাল শনিবার, ১৪ মার্চ, কলকাতার ব্রিগেড প্যারেড গ্রাউন্ডে আয়োজিত হতে চলেছে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর এক ঐতিহাসিক জনসভা। আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনকে সামনে রেখে এই সভাকে বিজেপির ‘শক্তি প্রদর্শন’ হিসেবেই দেখছে রাজনৈতিক মহল। দীর্ঘদিনের ‘পরিবর্তন যাত্রা’-র সমাপ্তি ঘটবে এই সমাবেশের মাধ্যমেই।
বিজেপির রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য ব্রিগেডের প্রস্তুতি খতিয়ে দেখেছেন এবং জানিয়েছেন, এই সভা থেকেই তৃণমূল সরকারের বিদায়ের বার্তা স্পষ্ট হবে। রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে লক্ষ লক্ষ মানুষ এই সভায় যোগ দেবেন বলে আশা করছে গেরুয়া শিবির। নিরাপত্তার খাতিরে এসপিজি (SPG)-র বিশেষ নজরদারিতে ব্রিগেডের মঞ্চ নতুন করে সাজানো হয়েছে। কেন্দ্রীয় নেতাদের সঙ্গে বৈঠক শেষে ধারণা করা হচ্ছে, এই মঞ্চ থেকেই বিজেপির প্রথম দফার প্রার্থী তালিকা নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ ইঙ্গিত মিলতে পারে।
বিজেপির এই কর্মসূচি নিয়ে তৃণমূল কংগ্রেস একে ‘শো-অফ’ বলে কটাক্ষ করেছে। তাদের দাবি, সরকারি উন্নয়নের আড়ালে এই জনসভা শুধুই ভোট দখলের খেলা। পাল্টা বিজেপি নেতারা রাজ্যের আইনশৃঙ্খলা, দুর্নীতি ও বেকারত্বের ইস্যুকে সামনে রেখে পরিবর্তনের ডাক দিচ্ছেন। নির্বাচনের আগে এই ব্রিগেড সভা যে রাজ্যের রাজনৈতিক তাপমাত্রা আরও কয়েক গুণ বাড়িয়ে দেবে, তা বলাই বাহুল্য।