মধ্যপ্রাচ্যের রণক্ষেত্রে এবার চরম সংঘাত। ইজরায়েলি বিমান হামলায় ইরানের জাতীয় নিরাপত্তা প্রধান আলি লারিজনির মৃত্যুর পর পালটা প্রত্যাঘাত শুরু করল তেহরান। বুধবার ভোর রাত থেকে ইজরায়েলের বাণিজ্যিক রাজধানী তেল আভিভ লক্ষ্য করে একের পর এক ‘ক্লাস্টার ওয়ারহেড’ যুক্ত বিধ্বংসী ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন নিক্ষেপ করেছে ইরান। লারিজনির পাশাপাশি তাঁর পুত্র এবং দেহরক্ষীর মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করেছে ইরানের সুপ্রিম ন্যাশনাল সিকিউরিটি কাউন্সিল।
ইরানের রাষ্ট্রীয় টেলিভিশন জানিয়েছে, লারিজানি হত্যার প্রতিশোধ নিতেই এই হামলা। ইজরায়েলি প্রতিরক্ষা বাহিনীর দাবি, ইরান মাঝ-আকাশে ফেটে যাওয়া ক্লাস্টার বোমা ব্যবহার করছে, যা প্রতিহত করা অত্যন্ত কঠিন। তেল আভিভের জনবহুল এলাকায় এই হামলায় ইতিমধ্যে ২ জনের মৃত্যু হয়েছে, যার ফলে ইজরায়েলে মোট নিহতের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১৪। ইজরায়েলি প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইজরায়েল কাটজ কড়া ভাষায় জানিয়েছেন, লারিজানি ও বাসিজ প্রধান গোলামরেজা সোলেইমানিকে খতম করে ইরানের ‘অশুভ শক্তি’কে স্তব্ধ করে দেওয়া হয়েছে। এদিকে, যুদ্ধের আঁচ পৌঁছেছে ইরানের বুশেহর পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রের কাছেও। আইএইএ প্রধান রাফায়েল গ্রোসি পারমাণবিক বিপর্যয় এড়াতে উভয় পক্ষকে সংযম প্রদর্শনের আহ্বান জানিয়েছেন। আমেরিকা ও ইজরায়েলের দাবি, তাদের মূল লক্ষ্য ইরানকে পারমাণবিক অস্ত্র তৈরি থেকে রুখে দেওয়া।