সামনাসামনি কথা বলার সময় মানুষের চোখের পলক বা শরীরের ভাষা দেখে মিথ্যা ধরা যতটা সহজ, টেক্সট মেসেজের ক্ষেত্রে তা ততটাই কঠিন। তবে মনোবিজ্ঞান বলছে, মেসেজ টাইপ করার ধরনেই লুকিয়ে থাকে মিথ্যার ইঙ্গিত। আপনি যদি সচেতন থাকেন, তবে স্মার্টফোনের স্ক্রিনেই ধরে ফেলতে পারেন অন্য প্রান্তের ব্যক্তির প্রতারণা। জেনে নিন ৫টি কার্যকরী উপায়:
অস্বাভাবিক দীর্ঘ উত্তর: কেউ মিথ্যা বললে সাধারণত বিষয়টি বিশ্বাসযোগ্য করতে অতিরিক্ত তথ্য যোগ করে। অপ্রাসঙ্গিক ডিটেইলস বা অকারণে বড় বাক্য ব্যবহার করা একটি বড় লক্ষণ।
উত্তর দিতে দেরি করা: যদি দেখেন খুব সাধারণ প্রশ্নের উত্তরেও সামনের মানুষটি দীর্ঘক্ষণ ‘Typing…’ দেখাচ্ছে বা অনেক সময় নিয়ে রিপ্লাই দিচ্ছে, তবে বুঝবেন সে গল্প সাজানোর চেষ্টা করছে।
দায় এড়ানোর প্রবণতা: মিথ্যাবাদীরা সাধারণত ‘আমি’, ‘আমার’ বা ‘আমরা’ শব্দগুলো এড়িয়ে চলে। তারা এমনভাবে বাক্য গঠন করে যাতে সরাসরি দায়বদ্ধতা না থাকে।
প্রশ্ন পাল্টে দেওয়া: আপনি যদি তাকে সরাসরি কোনো প্রশ্ন করেন, তবে সে উত্তর না দিয়ে উল্টো আপনাকে প্রশ্ন করে বিভ্রান্ত করার চেষ্টা করবে বা বিষয় ঘুরিয়ে দেবে।
অযৌক্তিক সংক্ষিপ্তকরণ: অনেক সময় অতিরিক্ত কথা বলা এড়াতে তারা খুব সংক্ষিপ্ত বা অস্পষ্ট উত্তর দেয়, যাতে পরবর্তীতে কথা পাল্টাতে সুবিধা হয়।
ডিজিটাল দুনিয়ায় নিজেকে সুরক্ষিত রাখতে এই ছোট ছোট লক্ষণগুলো খেয়াল রাখা জরুরি।





