বয়স বাড়বে কিন্তু চেহারা থাকবে চিরসবুজ! মুখের বলিরেখা দূর করার ৫টি জাদুকরী ঘরোয়া টোটকা

বয়স বাড়ার সাথে সাথে ত্বকে কোলাজেন (Collagen) তৈরির হার কমে যায়, যার ফলে কপালে, চোখের কোণে বা মুখের চারপাশে সূক্ষ্ম ভাঁজ বা বলিরেখা দেখা দিতে শুরু করে। একে আমরা ‘এজিং’ বলি। তবে দামী অ্যান্টি-এজিং ক্রিম বা কেমিক্যাল ট্রিটমেন্ট ছাড়াও সম্পূর্ণ প্রাকৃতিক উপায়ে ত্বকের এই সতেজতা ধরে রাখা সম্ভব।

মুখের বলিরেখা দূর করে ত্বককে পুনরুজ্জীবিত করার সহজ ৫টি ঘরোয়া উপায় দেখে নিন একঝলকে:

১. নারকেল তেলের ম্যাজিক: নারকেল তেল হলো প্রাকৃতিক ময়েশ্চারাইজার। রাতে ঘুমানোর আগে মুখে কয়েক ফোঁটা বিশুদ্ধ নারকেল তেল দিয়ে হালকা হাতে ম্যাসাজ করুন। এতে ত্বকের আর্দ্রতা বজায় থাকে এবং চামড়া ঝুলে যাওয়া রোধ করে।

২. অ্যালোভেরা ও ভিটামিন-ই: অ্যালোভেরা জেলে আছে ম্যালিক অ্যাসিড যা ত্বকের ইলাস্টিসিটি বাড়ায়। একটি ভিটামিন-ই ক্যাপসুলের তেল অ্যালোভেরা জেলের সাথে মিশিয়ে মুখে লাগিয়ে ২০ মিনিট পর ধুয়ে ফেলুন। এটি বলিরেখা হালকা করতে দুর্দান্ত কার্যকর।

৩. কলার ফেসপ্যাক: কলায় রয়েছে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন এবং পটাশিয়াম যা ত্বকের স্বাস্থ্যের জন্য অপরিহার্য। একটি পাকা কলা চটকে তাতে সামান্য মধু মিশিয়ে মুখে মেখে রাখুন। ১৫ মিনিট পর ধুয়ে ফেলুন। এটি ত্বকের কোষ মেরামত করতে সাহায্য করে।

৪. ডিমের সাদা অংশ: ত্বক টানটান করতে ডিমের সাদা অংশের কোনো বিকল্প নেই। ডিমের সাদা অংশ ফেটিয়ে মুখে লাগিয়ে শুকিয়ে যাওয়া পর্যন্ত অপেক্ষা করুন। এটি ত্বকের পোরস বা ছিদ্রগুলো ছোট করে এবং ঝুলে যাওয়া চামড়া টানটান করে।

৫. গ্রিন টি-র ব্যবহার: গ্রিন টি-তে থাকা অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট ত্বকের ফ্রি-র‌্যাডিক্যালস নষ্ট করে। ফোটানো গ্রিন টি ঠাণ্ডা করে তুলোর সাহায্যে মুখে লাগান। এটি অকাল বার্ধক্য রুখে দিতে দারুণ কাজ করে।

বিশেষজ্ঞের বিশেষ টিপস: কেবল বাইরে থেকে পরিচর্যা করলেই হবে না, ভেতর থেকেও ত্বককে সুস্থ রাখতে হবে। প্রতিদিন অন্তত ৮-১০ গ্লাস জল পান করুন, চিনি ও ভাজাভুজি এড়িয়ে চলুন এবং রোদে বের হওয়ার আগে অবশ্যই সানস্ক্রিন ব্যবহার করুন। মনে রাখবেন, সূর্যের অতিবেগুনি রশ্মিই বলিরেখার প্রধান শত্রু।

Related Posts

© 2026 Tips24 - WordPress Theme by WPEnjoy