বড় আশা করে দামি রাউটার বাড়িতে বসিয়েছেন, কিন্তু কাজের সময় সেই ইন্টারনেটের স্পিড কচ্ছপের গতিতে? এই সমস্যায় বর্তমানে নাজেহাল অধিকাংশ মানুষ। অনেক ক্ষেত্রে দেখা যায়, হাই-স্পিড ব্রডব্যান্ড প্ল্যান থাকা সত্ত্বেও সঠিক টেকনিক্যাল জ্ঞানের অভাবে আমরা সেরা পরিষেবা পাই না। ইন্টারনেটের এই ধীর গতির পেছনে রাউটারের মান নয়, বরং আমাদের কিছু ছোট ভুল দায়ী হতে পারে।
প্রথমেই নজর দিন রাউটারের অবস্থানের ওপর। রাউটারটি সব সময় ঘরের মাঝামাঝি কোনও খোলা জায়গায় এবং অন্তত ৩-৪ ফুট উচ্চতায় রাখার চেষ্টা করুন। দেওয়াল, আলমারি বা ইলেকট্রনিক্স সামগ্রীর আড়ালে রাখলে সিগন্যাল বাধা পায়। দ্বিতীয়ত, রাউটারের অ্যান্টেনাগুলো যদি বাইরের দিকে থাকে, তবে একটি খাড়া এবং অন্যটি আড়াআড়িভাবে রাখুন। এতে সিগন্যাল সব কোণে সমানভাবে ছড়ায়।
তৃতীয় ও সবথেকে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো ফ্রিকোয়েন্সি ব্যান্ড। আপনার রাউটার যদি ডুয়াল ব্যান্ড হয়, তবে ভিডিও স্ট্রিমিং বা গেমিংয়ের জন্য ৫ গিগাহার্টজ (5GHz) ব্যান্ড ব্যবহার করুন। সাধারণ ব্রাউজিংয়ের জন্য ২.৪ গিগাহার্টজ (2.4GHz) যথেষ্ট। এছাড়া নিয়মিত রাউটারের ফার্মওয়্যার আপডেট করুন এবং পাসওয়ার্ড শক্তিশালী রাখুন যাতে কেউ আপনার অজান্তে ডেটা চুরি করতে না পারে। এই সহজ কয়েকটি ধাপ অনুসরণ করলেই আপনার বাফারিংয়ের সমস্যা মিটবে নিমেষেই।