এর আগে কখনও ব্যায়াম করেননি? শুরু করার আগে এই বিষয় গুলি জেনেনিন তাহলে

একটা একটা দিন যাচ্ছে, আর ক্রমশ পরিষ্কার হচ্ছে ঘরবন্দি দশায় এখনও অনেকদিন থাকতে হবে আমাদের। যাঁরা এতদিন ব্যায়াম করাটাকে ততটা গুরুত্ব দিচ্ছিলেন না, তাঁরাও ক্রমশ সচেতন হয়ে উঠছেন। কিন্তু চাইলেই তো হুট করে রাতারাতি দুর্দান্ত ব্যায়াম করার এনার্জি পাবেন না, বরং নিজের এক্তিয়ারের বাইরে গিয়ে অতিরিক্ত পরিশ্রম করলে চোট পেতে পারেন। তাই জেনে নিন কোন ধরনের ব্যায়াম করাটা আপনার পক্ষে সবচেয়ে সহজ ও কার্যকর।
প্রথমেই চেষ্টা করুন ঘরে, বারান্দায়, ছাতে হাঁটার। অনেকেই বলেন, দিনে 10000 পা হাঁটা সুস্থ থাকার পক্ষে একান্ত প্রয়োজনীয়। তবে সেই সঙ্গে এটাও জেনে রাখুন যে এই ধারণার কোনও বৈজ্ঞানিক ভিত্তি নেই। 10000 পা হাঁটতে পারলে নিঃসন্দেহে ভালো, কিন্তু তা সম্ভব না হলে অন্তত 4000 পা হাঁটুন, মোবাইল ট্র্যাকারে সহজেই হিসেব করতে পারবেন কতটা হাঁটা হল।
ফিটনেস এক্সপার্ট মৃণালিনী মুখার্জি বলছেন, “ঘরবন্দি হলেও জোরে মিউজিক চালিয়ে নাচতে তো পারবেন রোজ? সেটা চমৎকার ব্যায়াম। সিঁড়ি দিয়ে ওঠানামা করার অভ্যেস খুব ভালো। যাঁরা আগে যোগব্যায়াম শিখেছেন, তাঁরা আসন করতে পারেন — এমনি কিছু সাধারণ এক্সারসাইজ করা যায় অবশ্য, কিন্তু যোগের মুদ্রাগুলি একদম পারফেক্ট না হলে চলবে না। যাঁরা স্কিপিং করতে চান, তাঁরা অবশ্যই জুতো পরে তা অভ্যেস করুন। যাই করুন না কেন, হাঁটুর স্বাস্থ্যের প্রতি যত্নশীল হতে হবে। ব্যায়াম করে সুস্থ হতে গিয়ে আবার চোট পাবেন না যেন!”