সিদ্ধ করা ডিমের জল ফেলে না দিয়ে কাজে লাগান এভাবে

স্বাস্থ্যকর একটি খাবার হচ্ছে ডিম। যা সকালের নাস্তায় অনেকেই খেয়ে থাকেন। এছাড়াও অধিকাংশ পরিবারেই দেখা যায় যে মাছ বা মাংসের বিকল্প খাবার হিসেবে ডিমকেই পছন্দ করা হয়।
ডিম যেমন স্বাদে অতুলনীয় তেমনই পুষ্টিগুণেও ভরপুর। এজন্য সময় ও শ্রম বাঁচাতে দুপুর কিংবা রাতের খাবারের তালিকায় অনেকেই ডিম রাখেন। ডিম নানাভাবে খাওয়া যায়। তবে সিদ্ধ করে ডিম খাওয়ার চাহিদাই বেশি।

ডিম সিদ্ধ করার পর ডিমের জল ফেলে দেন সবাই। যা খুব স্বাভাবিক। আসলে আমরা অনেকেই জানি না যে, ডিম সিদ্ধ করার পর যে জল থাকে তার উপকারিতা কতখানি।

পুষ্টিবিদদের মতে, একটি আস্ত ডিমে মুরগির মতো পুষ্টিগুণ আছে। এটিতে ভালো কোলেস্টেরল রয়েছে যা কোষের ঝিল্লি, ইস্ট্রোজেন, কর্টিসল এবং টেস্টোস্টেরনের মতো প্রয়োজনীয় হরমোন উৎপাদনে সহায়তা করে।

তবে যে জলতে ডিম সিদ্ধ করা হয় সেই জলর উপকরারিতাও অনেক। চলুন তবে জেনে নেয়া যাক সিদ্ধ ডিমের জলর উপকারিতাগুলো-

পুষ্টি উপাদান

ডিমের খোসায় ভালো পরিমাণেক্যালসিয়াম, পটাশিয়াম এবং অল্প পরিমাণে ফসফরাস, ম্যাগনেসিয়াম এবং সোডিয়াম পাওয়া যায়। এমন অবস্থায় ডিম সিদ্ধ করলে এই উপাদানগুলো জলতে মিশে যায়। এই সমস্ত উপাদান উদ্ভিদের জন্য খুবই উপকারী। উদ্ভিদের কোষের বিকাশের জন্য এই সমস্ত উপাদান প্রয়োজন।

গাছের সার হিসেবে

সম্প্রতি এক আমেরিকান বিশ্ববিদ্যালয় গবেষণা করে দেখিয়েছে, যে জলতে ডিম সিদ্ধ করা হয় সেই জলতে ডিমের কিছু পুষ্টি উপাদান আসে। যা যেকোনো গাছের সার হিসেবে খুবই উপযোগী।

টমেটো ও মরিচ গাছের জন্য উপকারী

যে সব গাছ সূর্যের আলোর অভাবে নষ্ট হয়ে যায়, সেই ধরনের গাছের জন্য সিদ্ধ ডিমের জল খুবই উপকারী। যেমন মরিচ ও টমেটো গাছের জন্য এই জল খুবই উপকারী।

Related Posts

© 2026 Tips24 - WordPress Theme by WPEnjoy