আটার পুষ্টি বাড়াতে কী যোগ করবেন? জানুন বিস্তারিতভাবে

ভাতের পাশাপাশি রুটি আমাদের অন্যতম প্রধান খাবার। অনেকেই তিনবেলার মধ্যে অন্তত এক বেলা রুটি খেয়ে থাকেন। বিশেষ করে সকালের নাস্তায় রুটি খাওয়ার প্রচলন বেশি। রুটি গমের আটা থেকে তৈরি করা হয়, যা জটিল কার্বোহাইড্রেট এবং প্রোটিনের একটি দুর্দান্ত উৎস। কিন্তু আপনি কি জানেন, কিছু উপাদান যোগ করে রুটির পুষ্টিগুণ বাড়ানো সম্ভব? চলুন তবে জেনে নেওয়া যাক কোন উপাদানগুলো মেশালে রুটি আরও বেশি পুষ্টিকর হবে-

১. হলুদ

হলুদে থাকা কারকিউমিন এর প্রদাহ-বিরোধী এবং অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট সুবিধার জন্য পরিচিত। প্রতি কাপ ময়দায় এক চা চামচ হলুদ যোগ করলে রুটি একটি সুন্দর সোনালী আভা এবং উষ্ণ, হালকা গন্ধ পাবে। বাত, হজমের সমস্যা, বিষণ্ণতা এবং অ্যালার্জিতে সাহায্য করার কাজ করবে এই হলুদ। এই রুটি ডাল কিংবা তরকারির সঙ্গে খেতে বেশ ভালোলাগে।

২. তিসি

ওমেগা -৩ ফ্যাটি অ্যাসিড সমৃদ্ধ তিসি আটার সঙ্গে মিশিয়ে রুটি তৈরি করলে মিলবে দারুণ উপকার। পুষ্টির মান বাড়ানোর জন্য প্রতি কাপ আটায় এক টেবিল চামচ আস্ত বা সামান্য চূর্ণ তিসি যোগ করুন। জার্নাল অফ ফুড সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজির গবেষণা অনুসারে, তিসিতে আলফা-লিনোলিক অ্যাসিড (ALA) নামক একটি অপরিহার্য ফ্যাটি অ্যাসিড থাকে যা আমাদের শরীর তৈরি করে না। ALA প্রদাহ কমাতে সাহায্য করতে পারে এবং হার্টে কোলেস্টেরল জমা হওয়া প্রতিরোধ করতে পারে। তিসিতে থাকা উচ্চ ফাইবার উপাদান পেট ভরিয়ে রাখে, যা ওজন নিয়ন্ত্রণে সহায়তা করে।

৩. মেথি দানা

মেথি দানা ভিটামিন এ, সি এবং কে, পটাসিয়াম, ক্যালসিয়াম এবং আয়রনের মতো প্রয়োজনীয় খনিজ সমৃদ্ধ। আপনার আটায় এক টেবিল চামচ মেথি দানা যোগ করে মাখিয়ে নিন। এতে রুটি সামান্য তিক্ত স্বাদের হতে পারে কিন্তু এই মসলা শরীরের জন্য অনেক উপকারিতা বয়ে আনবে। মেথি রক্তে শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণ করতে, ইনসুলিন উৎপাদন বাড়াতে এবং হজমের উন্নতি করতে সাহায্য করে। আটার সঙ্গে এই উপাদান মেশানোর কথা বিবেচনা করুন।

Related Posts

© 2026 Tips24 - WordPress Theme by WPEnjoy