গত বছর যে ঈশান কিষাণকে বিসিসিআই (BCCI) চুক্তি থেকে ছেঁটে ফেলেছিল, সেই একই ঈশান আজ ২০২৬ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে ভারতীয় দলের ‘পোস্টার বয়’। মাত্র ছয় মাসে তাঁর এই রাজকীয় প্রত্যাবর্তনে তাজ্জব ক্রিকেট বিশ্ব। পকিস্তানের বিরুদ্ধে কলম্বোয় ৭৭ রানের সেই মারকুটে ইনিংস থেকে শুরু করে নামিবিয়ার বিরুদ্ধে দ্রুততম অর্ধশতরান—ঈশান এখন অপ্রতিরোধ্য। কিন্তু এই অবিশ্বাস্য বদলের মন্ত্র কী? ঈশানের ছোটবেলার কোচ উত্তম মজুমদার জানালেন এক অজানা লড়াইয়ের কাহিনী।
উত্তম মজুমদারের মতে, এই বদলটা শুধু ব্যাটের নয়, বরং মানসিকতার। তিনি বলেন, “ঈশান যখন দল থেকে বাদ পড়ল, ও ভেঙে পড়েনি। বরং ও নিজেকে নতুন করে চিনতে শুরু করে।” জানা গিয়েছে, এই কঠিন সময়ে ঈশান নিয়মিত ভগবদ্গীতা পাঠ করেছেন এবং ধ্যানের মাধ্যমে একাগ্রতা বাড়িয়েছেন। অনুশীলনের ধরনেও এসেছে আমূল পরিবর্তন। দিনে দু’বার অ্যাকাডেমিতে পড়ে থাকা এবং ব্যক্তিগত শেফের তত্ত্বাবধানে কড়া ডায়েট মেনে চলা—এটাই ছিল তাঁর সাফল্যের মূল স্তম্ভ।
ঘরোয়া ক্রিকেটে ঝাড়খণ্ডকে প্রথমবার সৈয়দ মুস্তাক আলি ট্রফি জেতানো এবং আইপিএল ২০২৫-এ সানরাইজার্স হায়দরাবাদের হয়ে শতরান করার পরই ঈশানের আত্মবিশ্বাস কয়েকগুণ বেড়ে যায়। কোচ উত্তমের কথায়, “ও এখন আগের চেয়ে অনেক বেশি পরিণত। পরিস্থিতির গুরুত্ব বুঝে কখন আক্রমণ করতে হবে আর কখন ধরে খেলতে হবে, সেটা ও এখন আয়ত্ত করেছে।” ৫৫০ শব্দের এই বিশেষ প্রতিবেদনে ঈশানের সেই ‘ডিপপ্রেসিং’ দিনগুলি থেকে আজকের বিশ্বজয়ী হয়ে ওঠার পূর্ণাঙ্গ যাত্রাপথ তুলে ধরা হয়েছে।