কলম্বোর প্রেমদাসা স্টেডিয়ামে ভারত-পাকিস্তান দ্বৈরথ মানেই যেন একপাক্ষিক আধিপত্যের ইতিহাস। পরিসংখ্যান বলছে, এই মাঠে টিম ইন্ডিয়ার রেকর্ড ঈর্ষণীয়। ২০০৯ সাল থেকে এই মাঠে ভারত ১৫টি টি-টোয়েন্টি ম্যাচ খেলে জিতেছে ১১টিতেই। অন্যদিকে, শ্রীলঙ্কার মাটিতে টি-টোয়েন্টি ফর্ম্যাটে পাকিস্তানের বিরুদ্ধে ভারত আজও অপরাজিত। প্রেমদাসা স্টেডিয়ামে খেলা ৫টি টি-টোয়েন্টি ম্যাচের মধ্যে ৪টিতেই শেষ হাসি হেসেছে ভারত।
তবে পাকিস্তানের জন্য এই মাঠের সবচেয়ে বড় ক্ষত হয়ে আছে ২০২৩ সালের এশিয়া কাপের সেই ঐতিহাসিক ম্যাচটি। প্রেমদাসার সেই লড়াইয়ে ভারতকে ৩০০ রানের গণ্ডি পার করিয়েছিলেন বিরাট কোহলি (অপরাজিত ১২২) এবং কে এল রাহুল (অপরাজিত ১১১)। বিশাল ৩৫৭ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে পাকিস্তানের ব্যাটিং তাসের ঘরের মতো ভেঙে পড়েছিল। কুলদীপ যাদবের ৫ উইকেটের দাপটে মাত্র ১২৮ রানে গুটিয়ে গিয়েছিল বাবর আজমের দল। ২২৮ রানের সেই হার আজও ওডিআই ক্রিকেটে ভারতের কাছে পাকিস্তানের বৃহত্তম ব্যবধানের হার।
টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের প্রেক্ষাপটে দেখলে, এই স্টেডিয়ামে ২০১২ সালে ভারত ও পাকিস্তান একবারই মুখোমুখি হয়েছিল। সেবারও পাকিস্তানকে মাত্র ১২৮ রানে অল-আউট করে দিয়েছিল মহেন্দ্র সিং ধোনির ভারত। বিরাট কোহলির অনবদ্য ৭৮ রানের ইনিংসে ভর করে অত্যন্ত সহজেই সেই ম্যাচ জিতেছিল টিম ইন্ডিয়া। অর্থাৎ, ইতিহাস এবং পরিসংখ্যান—উভয় দিক থেকেই প্রেমদাসায় পাকিস্তান রয়েছে ব্যাকফুটে। রবিবাসরীয় এই ম্যাচে সেই আধিপত্য বজায় রাখাই এখন বড় চ্যালেঞ্জ সূর্যকুমার যাদবদের সামনে।