ওয়াংখড়েতে ইংল্যান্ডের দাপট, হারল ভারত! তবে হারের মাঝেও কি ইতিহাস গড়লেন বেথেল?

ওয়াংখড়ের পরিচিত ২২ গজ আবারও একবার ক্রিকেটের রোমাঞ্চকর এক লড়াইয়ের সাক্ষী থাকল। ভারত বনাম ইংল্যান্ডের হাই-ভোল্টেজ সেমিফাইনাল ম্যাচটি ক্রিকেটপ্রেমীদের হৃদস্পন্দন বাড়িয়ে দিলেও, শেষ হাসি হাসল ইংরেজরাই। তবে ম্যাচ হারলেও ক্রিকেটের পরিসংখ্যানের পাতায় জায়গা করে নিলেন ইংল্যান্ডের তরুণ তুর্কি জেকব বেথেল। হারের বিষাদ ছাপিয়ে এই ম্যাচে তৈরি হয়েছে একাধিক অভাবনীয় রেকর্ড।

ভারতের দেওয়া চ্যালেঞ্জিং লক্ষ্যমাত্রা তাড়া করতে নেমে ইংল্যান্ড একসময় চাপে পড়লেও, বেথেলের ব্যাট যেন আজ অন্য সুর বেঁধেছিল। আক্রমণাত্মক মেজাজে খেলে তিনি শুধু দলকে জয়ের দোরগোড়াতেই পৌঁছাননি, বরং ওয়াংখড়ের মাঠে সেমিফাইনালের মঞ্চে দ্রুততম হাফ-সেঞ্চুরির অন্যতম এক নজির গড়লেন। তার এই ইনিংসে ছিল চার এবং ছয়ের বন্যা, যা ভারতীয় বোলারদের পরিকল্পনাকে তছনছ করে দেয়।

অন্যদিকে, ভারতীয় ইনিংসের কথা বললে, শুরুর ধাক্কা সামলে দল একটি সম্মানজনক স্কোরে পৌঁছালেও বোলিং বিভাগে ধারাবাহিকতার অভাব স্পষ্ট দেখা গেছে। তবে রেকর্ড গড়ার দিক থেকে ভারতও পিছিয়ে নেই। এদিনের ম্যাচে ফিল্ডিং এবং উইকেটকিপিংয়ের ক্ষেত্রে বেশ কিছু মাইলফলক স্পর্শ করেছেন ভারতীয় ক্রিকেটাররা। ওয়াংখড়ের এই মাঠে গত এক দশকে কোনো সেমিফাইনাল ম্যাচে এত বেশি রান তাড়া করে জেতার রেকর্ড ইতিপূর্বে খুব একটা দেখা যায়নি, যা আজ ইংল্যান্ড করে দেখাল।

ম্যাচ শেষে ক্রিকেট বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ভারতের হারের মূল কারণ ছিল মাঝের ওভারগুলোতে উইকেট নিতে না পারা। বিশেষ করে বেথেল যখন ক্রিজে সেট হয়ে যান, তখন তাকে আটকানোর কোনো রণকৌশল ভারতের হাতে ছিল না। সব মিলিয়ে, ভারত বিশ্বকাপ থেকে বিদায় নিলেও ওয়াংখড়ের এই লড়াই এবং জেকব বেথেলের ইনিংসটি ক্রিকেট ইতিহাসের পাতায় স্মরণীয় হয়ে থাকবে।

Related Posts

© 2026 Tips24 - WordPress Theme by WPEnjoy