আগামী ২০২৬ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপকে সামনে রেখে দল গোছানোর কাজ শুরু করে দিয়েছে বিসিসিআই (BCCI)। তবে এবার আর কেবল অভিজ্ঞতার ভিত্তিতে নয়, বরং বর্তমান ফর্মের ওপর ভিত্তি করেই বিশ্বকাপের টিকিট দেওয়া হবে বলে সাফ জানিয়ে দিয়েছেন নির্বাচকরা। আর এই ফর্ম প্রমাণের সবথেকে বড় মঞ্চ হলো আসন্ন আইপিএল ২০২৬। বিসিসিআই সূত্রের খবর অনুযায়ী, আইপিএলে ফ্লপ হলে দলের বড় বড় তারকাদেরও বিশ্বকাপের স্কোয়াড থেকে ছেঁটে ফেলতে দ্বিধা করবেন না নির্বাচকরা।
নির্বাচক কমিটির এক উচ্চপদস্থ সদস্য জানিয়েছেন, ২০২৬ বিশ্বকাপের জন্য ভারতের একটি ‘তরুণ ও আগ্রাসী’ দল গঠনের পরিকল্পনা রয়েছে। তাই আইপিএলের প্রতিটি ম্যাচে খেলোয়াড়দের ফিটনেস, স্ট্রাইক রেট এবং চাপের মুখে পারফরম্যান্সের দিকে কড়া নজর রাখা হবে। বিশেষ করে যে সব সিনিয়র ক্রিকেটার গত কয়েক মাস ধরে অফ-ফর্মে রয়েছেন, তাঁদের জন্য এই আইপিএল কার্যত ‘ডু অর ডাই’ পরিস্থিতি। রুতুরাজ গায়কওয়াড়, সঞ্জু স্যামসন বা অভিষেক শর্মার মতো তরুণ তুর্কিরা যদি আইপিএলে রানের পাহাড় গড়েন, তবে অভিজ্ঞদের জায়গা পাওয়া কঠিন হয়ে পড়বে।
ক্রিকেট বিশেষজ্ঞদের মতে, বিশ্বকাপের ঠিক আগেই আইপিএল হওয়ায় নির্বাচকদের কাছে ক্রিকেটারদের বর্তমান অবস্থা বোঝার সুযোগ বেশি থাকছে। হার্দিক পাণ্ডিয়া, কে এল রাহুল কিংবা শ্রেয়স আইয়ারের মতো তারকাদের জন্য তাই এবারের আইপিএল এক চরম অগ্নিপরীক্ষা। বোর্ড স্পষ্ট বার্তা দিয়েছে—নামে নয়, কামে বিশ্বাসী নির্বাচকরা। ফলে আইপিএল ২০২৬-এর প্রতিটি উইকেট এবং প্রতিটি রান এখন বিশ্বকাপের লড়াইয়ে টিকে থাকার অক্সিজেন হয়ে দাঁড়িয়েছে।