আগামী ১৫ ফেব্রুয়ারি টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে ভারত-পাকিস্তান হাই-ভোল্টেজ ম্যাচ ঘিরে বিশ্ব ক্রিকেটে এখন ডামাডোল। পাকিস্তান সরকার তাদের দলকে বিশ্বকাপে খেলার অনুমতি দিলেও কেবল ভারতের বিরুদ্ধে ম্যাচটিতে নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে। পাকিস্তানের এই ‘নির্বাচিত অংশগ্রহণ’ বা ‘সিলেক্টিভ বয়কট’-এর কড়া সমালোচনা করে আইসিসি স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছে, এটি সরাসরি অংশীদারিত্ব চুক্তির লঙ্ঘন।
আইসিসি-র চুক্তি ও পিসিবি-র দায়বদ্ধতা: পিসিবি (PCB) আইসিসি-র সঙ্গে যে মেম্বারশিপ চুক্তিতে স্বাক্ষর করেছে, সেখানে স্পষ্টভাবে উল্লেখ আছে যে ভারত ও পাকিস্তান একে অপরের বিরুদ্ধে যেকোনো আইসিসি ইভেন্টে খেলতে বাধ্য থাকবে। চুক্তিতে এমন কোনো বিশেষ ধারা বা ‘এক্সেপশন ক্লজ’ নেই যা রাজনৈতিক অস্থিরতার দোহাই দিয়ে বয়কটকে বৈধতা দিতে পারে। সূত্রের খবর, আগামী ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে আইসিসি এই বিষয়ে চরম কোনো সিদ্ধান্ত নিতে পারে।
কড়া শাস্তির মুখে পাকিস্তান? আইসিসি-র নিয়ম অনুযায়ী, কোনো দেশের সরকার যদি খেলায় হস্তক্ষেপ করে, তবে সেই বোর্ডকে শাস্তির মুখে পড়তে হতে পারে। আইসিসি পিসিবি-র কাছে জানতে চাইতে পারে, এই নিষেধাজ্ঞা কি কেবল ক্রিকেটের জন্যই, নাকি অন্য সব ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য? যদি পাকিস্তান তাদের সিদ্ধান্তে অনড় থাকে, তবে বিশ্ব ক্রিকেটের সর্বোচ্চ নিয়ামক সংস্থা পিসিবি-র ওপর বড় অংকের জরিমানা এমনকি সাময়িক নির্বাসনের মতো কঠোর পদক্ষেপও নিতে পারে। ক্রিকেটের ইতিহাসে সরকারের হস্তক্ষেপের কারণে ম্যাচ বয়কটের এমন ঘটনা নজিরবিহীন, যা আইসিসি-র নীতিগত কাঠামোকে বড় চ্যালেঞ্জের মুখে ফেলে দিয়েছে।