মধ্যপ্রাচ্যের রণক্ষেত্র এবার সরাসরি প্রভাব ফেলতে চলেছে সাধারণ মানুষের জীবনদায়ী ওষুধের ওপর। হরমুজ প্রণালীতে পণ্যবাহী জাহাজ চলাচলে ব্যাপক বাধা ও অস্থিরতার কারণে বিশ্বজুড়ে সরবরাহ ব্যবস্থা (Supply Chain) তছনছ হয়ে পড়েছে। এর সরাসরি ফল হিসেবে ভারতসহ দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোতে ওষুধের দাম ১০ থেকে ২০ শতাংশ পর্যন্ত বৃদ্ধি পাওয়ার জোরালো আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।
কেন বাড়ছে দাম? আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ পথ হরমুজ প্রণালী। যুদ্ধের আশঙ্কায় অনেক জাহাজ এই রুট এড়িয়ে দীর্ঘ পথ অতিক্রম করছে। ফলে আকাশছোঁয়া বেড়েছে শিপিং কন্টেইনারের ভাড়া এবং বিমার খরচ। ভারতের অধিকাংশ ওষুধের কাঁচামাল বা এপিআই (API) এবং ড্রাগ ইন্টারমিডিয়েট বিদেশ থেকে আমদানি করতে হয়। পরিবহণ খরচ বাড়ায় ওষুধ উৎপাদনকারী সংস্থাগুলো সেই বাড়তি বোঝা সাধারণ মানুষের ওপর চাপাতে বাধ্য হচ্ছে।
মার্চের শেষেই বড় ধাক্কা: শিল্প বিশেষজ্ঞদের মতে, মার্চ মাসের শেষের দিকেই খুচরো বাজারে ওষুধ এবং এর সঙ্গে সম্পর্কিত অন্যান্য সরঞ্জামের দাম ১০-২০ শতাংশ বেড়ে যেতে পারে। অ্যান্টিবায়োটিক, হার্টের ওষুধ এবং ডায়াবেটিসের মতো প্রয়োজনীয় ওষুধের ক্ষেত্রে এই মূল্যবৃদ্ধির প্রভাব সবথেকে বেশি পড়ার সম্ভাবনা রয়েছে। সরকার পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখার চেষ্টা করলেও বিশ্ববাজারের এই অস্থিরতা মধ্যবিত্তের রক্তচাপ বাড়িয়ে দিচ্ছে।