বিধানসভার বিরোধী দলনেতা নির্বাচন নিয়ে তৃণমূলের দায়ের করা মামলায় আপাতত স্বস্তি পেলেন ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়। মঙ্গলবার কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি কৃষ্ণা রাওয়ের একক বেঞ্চ স্পিকারের সিদ্ধান্তের ওপর কোনো স্থগিতাদেশ জারি করতে অস্বীকার করেছেন। ফলে আপাতত বিরোধী দলনেতার পদেই বহাল থাকছেন ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়।
আদালতে কী হলো? এদিন মামলার শুনানিতে তৃণমূল বিধায়ক শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়ের আইনজীবী কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় সওয়াল করেন, বিরোধী দলনেতা হিসেবে শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়ের নাম দলের পক্ষ থেকে স্পিকারকে জানানো হয়েছিল। কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের দাবি, স্পিকার বিধানসভার রীতি ও গণতান্ত্রিক কাঠামোর বাইরে গিয়ে ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়কে বিরোধী দলনেতার স্বীকৃতি দিয়েছেন। তিনি অবিলম্বে স্পিকারের সিদ্ধান্তের ওপর স্থগিতাদেশের দাবি জানান।
পাল্টা জবাবে রাজ্যের অতিরিক্ত অ্যাডভোকেট জেনারেল বিল্বদল ভট্টাচার্য মামলার নথি পর্যালোচনার জন্য আরও কিছুটা সময় প্রার্থনা করেন। দুই পক্ষের সওয়াল-জবাব শোনার পর বিচারপতি কৃষ্ণা রাও সাফ জানিয়ে দেন, এখনই স্পিকারের সিদ্ধান্তে কোনো স্থগিতাদেশ দেওয়া সম্ভব নয়। মামলার পরবর্তী শুনানি আগামী ১৬ জুন ধার্য করা হয়েছে।
রাজনৈতিক চাপানউতোর: উল্লেখ্য, বিক্ষুব্ধ তৃণমূল বিধায়কদের সমর্থনের ভিত্তিতে স্পিকার রথীন বসু ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়কে বিরোধী দলনেতা হিসেবে স্বীকৃতি দিয়েছেন। অন্যদিকে, তৃণমূলের দাবি, দলের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী বর্ষীয়ান বিধায়ক শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়কেই বিরোধী দলনেতা হওয়া উচিত ছিল। এই টানাপোড়েনের মাঝে ১৬ জুনের শুনানিই এখন রাজনৈতিক মহলের কাছে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। আদালতের পরবর্তী নির্দেশেই চূড়ান্ত হবে বিধানসভার বিরোধী দলনেতার ভাগ্য।





