বৃহস্পতিবার রাতে রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোসের ইস্তফাপত্র গৃহীত হওয়ার পর থেকেই রাজনৈতিক মহলে জল্পনা—বিধানসভা নির্বাচনের ঠিক আগে কেন এই সিদ্ধান্ত? শাসক দল তৃণমূলের একাংশের দাবি, রাজভবনের সঙ্গে নবান্নর সংঘাতের চেয়েও হয়তো দিল্লির সঙ্গে বোসের কোনো সমীকরণ কাজ করেছে। অন্যদিকে বিরোধী শিবির একে ‘সাংবিধানিক প্রক্রিয়া’ বলে দেখলেও নেপথ্যে যে বড় কোনো কারণ আছে, তা নিয়ে কোনো সন্দেহ নেই।
এখন দায়িত্ব কার হাতে? নিয়ম অনুযায়ী, পূর্ণকালীন রাজ্যপাল নিয়োগ না হওয়া পর্যন্ত প্রতিবেশী রাজ্যের রাজ্যপালকে অতিরিক্ত দায়িত্ব দেওয়া হয়। সূত্রের খবর, আপাতত বিহারের রাজ্যপাল রাজেন্দ্র বিশ্বনাথ আর্লেকর অথবা ওড়িশার রাজ্যপালকে পশ্চিমবঙ্গের অতিরিক্ত দায়িত্ব সামলানোর জন্য অনুরোধ করা হতে পারে। তবে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ইতিমধ্যেই জানিয়েছেন যে, কেন্দ্রের তরফে তাঁকে আর এন রবির নাম জানানো হয়েছে। যতক্ষণ না তিনি আনুষ্ঠানিকভাবে শপথ নিচ্ছেন, ততক্ষণ ভারপ্রাপ্ত রাজ্যপালই সাংবিধানিক প্রধান হিসেবে কাজ করবেন।