ভারতীয় সঙ্গীতের এক বর্ণময় অধ্যায়ের অবসান ঘটেছে। কিংবদন্তি আশা ভোঁসলে আজ সুরলোকে পাড়ি দিয়েছেন। তাঁর মৃত্যুতে কেবল বলিউড নয়, শোকাতুর গোটা বাংলা চলচ্চিত্র ও সঙ্গীত জগত। এই বিদায়ে স্মৃতিভারাক্রান্ত হয়ে পড়েছেন টলিউডের ‘ইন্ডাস্ট্রি’ প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায় এবং এই প্রজন্মের জনপ্রিয় লোকসঙ্গীত শিল্পী পৌষালী বন্দ্যোপাধ্যায়।
বুম্বাদার স্মৃতিতে ‘আশাজি’: আশা ভোঁসলের প্রয়াণে স্মৃতিতে ডুব দিয়েছেন প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায়। তিনি জানান, আশাজির সঙ্গে তাঁর সম্পর্ক দীর্ঘদিনের। প্রসেনজিতের কথায়, “স্বপ্নের সেই দিনগুলো বারবার মনে পড়ছে। তাঁর সঙ্গে কাটানো সময়গুলো আমার জীবনের অন্যতম সেরা সঞ্চয়। তিনি কেবল বড় শিল্পী নন, মানুষ হিসেবেও ছিলেন অসামান্য। তাঁর অভাব বাংলা চলচ্চিত্র জগত আজীবন অনুভব করবে।” পৌষালীর শ্রদ্ধাঞ্জলি: অন্যদিকে, এই প্রজন্মের প্রতিভাবান শিল্পী পৌষালী বন্দ্যোপাধ্যায় তাঁর ফেসবুক পেজে শোক প্রকাশ করেছেন। তিনি লিখেছেন, “আশাজি আমাদের মতো হাজার হাজার শিল্পীর আইডল। তাঁর প্রতিটি গান এক একটি পাঠশালা। তাঁর গায়কির চঞ্চলতা আর গভীরতা— এই দুইয়ের মিশেল আর কোনো শিল্পীর মধ্যে পাওয়া ভার।” আশাজির আশীর্বাদ পাওয়ার মুহূর্তগুলো তাঁর কাছে আজ এক অমূল্য স্মৃতি।
শূন্যতায় ম্লান সঙ্গীত জগত: আশা ভোঁসলে এবং বাংলা গানের যে নিবিড় সম্পর্ক, তার রেশ ধরেই এদিন টলিউডের অলিগলি ছিল বিষণ্ণ। প্রসেনজিতের অভিনীত ছবিতে আশাজির গাওয়া একাধিক গান আজও জনপ্রিয়তার তুঙ্গে। সেই সব সোনালী দিনগুলোর কথা মনে করে আজ মুষড়ে পড়েছেন তারকারা।
সুরের মায়াজালে তিনি যে জগত তৈরি করেছিলেন, সেখানে তিনি অমর। প্রসেনজিৎ থেকে পৌষালী— প্রত্যেকের কন্ঠেই আজ প্রতিধ্বনিত হচ্ছে একটাই কথা: “এমন শিল্পী আর হবে না।”





