জলন্ধরের বাঙ্গিওয়াল গ্রামে পুলিশের গুলিতে লাভপ্রীত নামে এক পলাতক অভিযুক্তের মৃত্যুকে কেন্দ্র করে উত্তাল গোটা এলাকা। পুলিশের দাবি, গোপন সূত্রে খবর পেয়ে মেহতপুর থানার পুলিশ তাকে ধরতে গেলে জনতা বাধা দেয় এবং গুলির শব্দ শোনা যায়। এসএসপি হরবিন্দর সিং ভিরকের ভাষ্যমতে, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে গেলে আত্মরক্ষার্থে পুলিশ দুই রাউন্ড গুলি চালায়, যা লাভপ্রীতের পায়ে লাগলে তাকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয় এবং সেখানেই তার মৃত্যু হয়।
তবে পুলিশের এই বয়ানকে সরাসরি নস্যাৎ করেছে নিহত লাভপ্রীতের পরিবার। তাদের অভিযোগ, পুলিশ বাড়িতে ঢুকে বাথরুমের দরজা ভেঙে লাভপ্রীতকে টেনে বের করে আনে। এরপর তাকে নৃশংসভাবে পেটানোর পর পেছন থেকে সরাসরি গুলি করা হয়। পরিবারের দাবি, দুটি গুলি উরুর উপরের অংশে লাগার ফলে প্রচুর রক্তক্ষরণে লাভপ্রীতের মৃত্যু হয়েছে। কোনো ধস্তাধস্তি বা জনতার গুলির ঘটনা ঘটেনি বলেই তাদের অভিযোগ।
এই ঘটনায় পুলিশ ও পরিবারের পালটাপালটি অভিযোগে বাঙ্গিওয়াল ও মেহতপুর এলাকায় চরম উত্তেজনা সৃষ্টি হয়েছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে বিশাল পুলিশ বাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে। পরিবারের সদস্যরা এখন পুলিশি নির্যাতনের বিরুদ্ধে উচ্চপর্যায়ের নিরপেক্ষ তদন্ত এবং অভিযুক্ত পুলিশ কর্মীদের শাস্তির দাবিতে সরব হয়েছেন। ঘটনাটি নিছক আত্মরক্ষা নাকি বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড, তা নিয়ে এখন জনমনে প্রশ্ন উঠছে।





