প্রেমের টানে বা ঘর বাঁধার আশায় সীমান্ত পার হওয়ার গল্প অনেক শোনা যায়, কিন্তু এবারের ঘটনাটি সম্পূর্ণ ভিন্ন এবং আইনি দিক থেকে অত্যন্ত জটিল। নিজের স্ত্রীকে ফিরে পেতে এবার কলকাতা হাইকোর্টের দ্বারস্থ হলেন এক বাংলাদেশি যুবক। তাঁর অভিযোগ, শ্বশুরবাড়ির লোকেরা তাঁর স্ত্রীকে জোরপূর্বক বাংলাদেশ থেকে ভারতে নিয়ে এসে আটকে রেখেছে। স্থানীয় থানায় বারবার অভিযোগ জানিয়েও কোনও ফল না হওয়ায় শেষ পর্যন্ত বিচারব্যবস্থার ওপর ভরসা রেখেছেন ওই বিদেশি নাগরিক।
আদালত সূত্রে খবর, ওই যুবকের দাবি—তাঁদের বিয়ে বাংলাদেশে বৈধভাবেই হয়েছিল। কিন্তু তাঁর শ্বশুরবাড়ির আত্মীয়রা বেআইনিভাবে কাঁটাতার পেরিয়ে তাঁর স্ত্রীকে ভারতে নিয়ে চলে আসেন। এখানেই শেষ নয়, যুবক আরও একটি গুরুতর অভিযোগ তুলেছেন। তাঁর দাবি, তাঁর শ্বশুরবাড়ির সদস্যরা ভারত ও বাংলাদেশ—উভয় দেশেরই নাগরিকত্ব ভোগ করছেন এবং পাসপোর্ট ব্যবহার করছেন, যা সম্পূর্ণ বেআইনি। এই ‘দ্বৈত নাগরিকত্ব’ এবং অনুপ্রবেশের বিষয়টি সামনে আসতেই আদালত নড়েচড়ে বসেছে।
পুলিশি নিষ্ক্রিয়তার অভিযোগ তুলে ওই যুবক প্রশ্ন তুলেছেন, কীভাবে একজন বিদেশি নাগরিককে এভাবে আটকে রাখা যায়? বিচারপতি এই মামলাটিকে গুরুত্ব দিয়ে দেখার আশ্বাস দিয়েছেন। সীমান্তে নিরাপত্তা এবং অবৈধভাবে সীমান্ত পারাপারের যে অভিযোগ উঠেছে, তা খতিয়ে দেখতে বিএসএফ (BSF) এবং রাজ্য পুলিশকে তলব করা হতে পারে। ৫৫০ শব্দের এই বিশেষ প্রতিবেদনে এই আন্তর্জাতিক দাম্পত্য বিবাদ এবং নাগরিকত্ব আইনের মারপ্যাঁচ বিস্তারিত আলোচনা করা হয়েছে।