শিক্ষার আঙিনায় কলঙ্কিত অধ্যায়! স্কুলের চার শিক্ষক এবং এক পিওনের লালসার শিকার হতে হলো সপ্তম শ্রেণির এক নাবালিকা ছাত্রীকে। যে শিক্ষকদের হাতে ছাত্রীর ভবিষ্যৎ গড়ার দায়িত্ব ছিল, তাঁদের বিরুদ্ধেই উঠল যৌন হেনস্থার গুরুতর অভিযোগ। দিনের পর দিন স্কুলের চার দেওয়ালে চলা এই হাড়হিম করা ঘটনার কথা প্রকাশ্যে আসতেই শোরগোল পড়ে গিয়েছে এলাকায়। নির্যাতিতা ছাত্রীর বয়ানে উঠে এসেছে এক ভয়ংকর সত্য—স্কুল ছুটি হওয়ার পরেই সুযোগ বুঝে তাঁর ওপর ঝাঁপিয়ে পড়তেন ওই পাঁচজন।
ঘটনাটি জানাজানি হয় যখন ওই নাবালিকা বাড়িতে অস্বাভাবিক আচরণ শুরু করে এবং কান্নায় ভেঙে পড়ে। পরিবারের সদস্যদের কাছে সে জানায়, চারজন শিক্ষক এবং স্কুলের পিওন মিলে দীর্ঘদিন ধরে তাকে ব্ল্যাকমেল করে যৌন হেনস্থা করে আসছিল। স্কুলের নির্জন ঘরেই চলত এই পাশবিক অত্যাচার। অভিযুক্তদের ভয়ে এতদিন মুখ খুলতে পারেনি ওই নাবালিকা। অবশেষে সাহসে ভর করে সে জানিয়েছে, “ছুটি হওয়ার পরেই ওঁরা আমাকে আটকে রাখতেন এবং ঝাঁপিয়ে পড়তেন।” এই ঘটনায় ক্ষোভে ফেটে পড়েছেন অভিভাবকরা। অভিযুক্তদের কঠোর শাস্তির দাবিতে সরব হয়েছে সাধারণ মানুষ। পুলিশ ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে এবং স্কুল চত্বরে উত্তেজনা বিরাজ করছে।