সেপটিক ট্যাঙ্কেই শেষ প্রেম! ঘরছাড়া তরুণীর নিথর দেহ উদ্ধার, হাড়হিম করা কাণ্ড যোগীরাজ্যে!

ভালোবাসার টানে ঘর ছেড়েছিলেন, স্বপ্ন দেখেছিলেন নতুন জীবনের। কিন্তু সেই স্বপ্ন যে এমন ভয়াবহ রূপ নেবে, তা কল্পনাও করতে পারেনি কেউ। নিখোঁজ হওয়ার কয়েকদিন পর উত্তরপ্রদেশের এক গ্রাম থেকে এক তরুণীর পচা-গলা দেহ উদ্ধার হলো সেপটিক ট্যাঙ্কের ভেতর থেকে। এই ঘটনায় এলাকায় তীব্র চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে।

ঘটনার প্রেক্ষাপট: পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, ওই তরুণী বেশ কিছুদিন আগে পরিবারের অমতে তাঁর প্রেমিকের সঙ্গে ঘর ছেড়েছিলেন। পরিবারের পক্ষ থেকে নিখোঁজ ডায়েরি করা হলেও তাঁর হদিশ মিলছিল না। অবশেষে একটি পরিত্যক্ত বাড়ির সেপটিক ট্যাঙ্ক থেকে দুর্গন্ধ বেরোতে থাকায় গ্রামবাসীরা পুলিশে খবর দেয়। পুলিশ এসে ঢাকনা খুলতেই চক্ষু চড়কগাছ! ভেতরে পড়ে রয়েছে নিখোঁজ ওই তরুণীর বিকৃত দেহ।

তদন্তে উঠে আসা চাঞ্চল্যকর তথ্য: প্রাথমিক তদন্তে পুলিশের অনুমান, এই খুনের নেপথ্যে বড় কোনো ষড়যন্ত্র রয়েছে।

  • মূল সন্দেহভাজন: তরুণীর প্রেমিক এবং তাঁর কিছু ঘনিষ্ঠ সহযোগী এখন পুলিশের নজরে। ঘটনার পর থেকেই অভিযুক্ত প্রেমিক পলাতক।

  • খুনের ধরণ: ময়নাতদন্তের প্রাথমিক রিপোর্টে শ্বাসরোধ করে খুনের ইঙ্গিত মিলেছে। প্রমাণ লোপাটের উদ্দেশ্যেই দেহটি সেপটিক ট্যাঙ্কে ফেলে দেওয়া হয়েছিল বলে ধারণা করা হচ্ছে।

পরিবারের আহাজারি: মেয়ের এই মর্মান্তিক পরিণতিতে কান্নায় ভেঙে পড়েছে তাঁর পরিবার। তাঁদের দাবি, বিয়ের প্রতিশ্রুতি দিয়ে ফুসলিয়ে নিয়ে গিয়ে তাঁকে পরিকল্পিতভাবে খুন করা হয়েছে। পুলিশ ইতিমধ্যেই একটি খুনের মামলা রুজু করে তদন্ত শুরু করেছে এবং বেশ কয়েকজনকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আটক করেছে।

উপসংহার: প্রেমের টানে ঘর ছাড়ার পর একের পর এক এমন নৃশংষ ঘটনা সমাজবিজ্ঞানীদের কপালে চিন্তার ভাঁজ ফেলেছে। এটি কি নিছকই আবেগপ্রসূত খুনের ঘটনা, নাকি এর পেছনে লুকিয়ে আছে অন্য কোনো সামাজিক অপরাধ? পুলিশি তদন্তের পরেই মিলবে আসল উত্তর।

Related Posts

© 2026 Tips24 - WordPress Theme by WPEnjoy