ভোটের বাংলায় কেন্দ্রীয় বাহিনীর ভূমিকা নিয়ে এবার সরাসরি ময়দানে নামল নির্বাচন কমিশন। সোমবার রাজ্য পুলিশ ও প্রশাসনের সঙ্গে উচ্চপর্যায়ের বৈঠকে কমিশন স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছে, বাহিনীকে বসিয়ে রাখা চলবে না; তাদের সরাসরি এলাকায় টহল ও নিরাপত্তার কাজে নামাতে হবে। বাহিনীর গতিবিধি নিয়ন্ত্রণে প্রতিটি গাড়িতে থাকবে জিপিএস। কমিশন সূত্রে খবর, রাজ্য প্রশাসনের সঙ্গে সমন্বয় রেখেই কাজ করবে বাহিনী, তবে তাদের কার্যকরিতা নিয়ে কোনো আপস করা হবে না।
এই নির্দেশ ঘিরেই শুরু হয়েছে তীব্র রাজনৈতিক তরজা। বিজেপি নেতা সজল ঘোষের দাবি, “বাহিনীর নিয়ন্ত্রণ রাজ্যের হাতে থাকলে তারা শুধু দর্শনীয় স্থান দেখে বেড়াবে, কাজ হবে না।” অন্যদিকে তৃণমূল নেতা জয়প্রকাশ মজুমদারের পাল্টা অভিযোগ, “মানুষকে ভয় দেখাতেই সৈন্য নামিয়ে সন্ত্রাস করার চেষ্টা করছে বিজেপি।” উল্লেখ্য, আগামী ১ মার্চ প্রথম দফায় ২৪০ কোম্পানি এবং ১০ মার্চ দ্বিতীয় দফায় আরও ২৪০ কোম্পানি অর্থাৎ মোট ৪৮০ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী রাজ্যে আসছে। এর মধ্যে সিআরপিএফ-এর সংখ্যাই সর্বাধিক ২৩০ কোম্পানি।