দেশের জাতীয় নিরাপত্তা ও সীমান্ত সুরক্ষাকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিয়ে বড়সড় পদক্ষেপ নিলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। সীমান্ত সংলগ্ন এলাকায় নজরদারি ও নিরাপত্তা ব্যবস্থা আরও সুদৃঢ় করতে তিনি নির্দেশ দিয়েছেন, দেশের সীমান্ত থেকে ১৫ কিলোমিটার দূরত্বের মধ্যে থাকা সমস্ত অবৈধ নির্মাণ অবিলম্বে ভেঙে ফেলতে হবে।
কেন এই কঠোর নির্দেশ? সূত্রের খবর, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে সংশ্লিষ্ট রাজ্যগুলির প্রশাসন ও সীমান্ত রক্ষা বাহিনীকে স্পষ্ট বার্তা দেওয়া হয়েছে। নিরাপত্তার খাতিরেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে মনে করা হচ্ছে:
নিরাপত্তার ঝুঁকি: সীমান্ত সংলগ্ন এলাকায় অবৈধ নির্মাণ থাকলে তা অনেক সময় অনুপ্রবেশকারীদের আশ্রয়স্থল হয়ে উঠতে পারে। যা দেশের অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তার জন্য বড় হুমকি।
জঙ্গি কার্যকলাপ ও পাচার রোধ: সীমান্ত এলাকায় যাতে কোনোভাবেই অসামাজিক কার্যকলাপ, অনুপ্রবেশ বা চোরাচালান সম্ভব না হয়, তা নিশ্চিত করাই এই অভিযানের মূল লক্ষ্য।
প্রশাসনিক নজরদারি: ১৫ কিলোমিটার পর্যন্ত এলাকাটি অত্যন্ত সংবেদনশীল। এই এলাকায় কোনো ধরনের নির্মাণ কাজ করতে হলে সঠিক সরকারি অনুমতি প্রয়োজন। অবৈধ নির্মাণ প্রশাসনিক নজরদারি এড়িয়ে চলে, যা ভবিষ্যতে বড় বিপদ ডেকে আনতে পারে।
প্রশাসনের কাছে কড়া নির্দেশ: স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, এই নির্দেশ কার্যকর করার ক্ষেত্রে কোনো প্রকার শৈথিল্য বরদাস্ত করা হবে না। স্থানীয় প্রশাসনকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে দ্রুত অবৈধ নির্মাণের তালিকা তৈরি করতে এবং সময়সীমা বেঁধে দিয়ে তা ভেঙে ফেলার ব্যবস্থা করতে।
সীমান্তের নিরাপত্তার ক্ষেত্রে এই সিদ্ধান্তকে অত্যন্ত সাহসী ও সময়োপযোগী পদক্ষেপ হিসেবে দেখছেন প্রতিরক্ষা বিশেষজ্ঞরা। এখন দেখার, বিভিন্ন রাজ্য সরকার এই নির্দেশের পরিপ্রেক্ষিতে কতটা দ্রুত কাজ শুরু করে।





