পশ্চিমবঙ্গে অবৈধ অভিবাসীদের বিরুদ্ধে ‘শনাক্ত, বহিষ্কার ও নির্বাসন’ অভিযান জোরদার করেছে নতুন বিজেপি সরকার। মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর নির্দেশে সীমান্ত দিয়ে অবৈধভাবে প্রবেশ করা অনুপ্রবেশকারীদের রুখতে রাজ্যজুড়ে শুরু হয়েছে ধরপাকড়। অভিযানের অংশ হিসেবে সোমবার মালদা ও মুর্শিদাবাদে দুটি নতুন আটক কেন্দ্র (হোল্ডিং সেন্টার) স্থাপন করেছে রাজ্য সরকার। ইতোমধ্যে ১২ জন বাংলাদেশি নাগরিককে আটক করে এই কেন্দ্রগুলোতে স্থানান্তর করা হয়েছে।
এই পদক্ষেপ নিয়ে রাজনৈতিক বিতর্ক শুরু হলেও, আম জনতা উন্নয়ন পার্টি (এজেইউপি)-র প্রধান হুমায়ুন কবীর সরকারের এই সিদ্ধান্তের পক্ষে মুখ খুলেছেন। তিনি বলেন, “মুখ্যমন্ত্রী স্পষ্ট ঘোষণা করেছেন যে সীমান্ত দিয়ে কোনো অনুপ্রবেশকারীকে বরদাস্ত করা হবে না। আমি এই সিদ্ধান্তকে পূর্ণ সমর্থন করি। বাইরের কোনো ব্যক্তি অবৈধভাবে প্রবেশ করলে পুলিশ অবশ্যই আইনানুগ ব্যবস্থা নেবে। টিএমসি যদি এর বিরোধিতা করে, তবে তা অনৈতিক।”
মালদার ইংলিশ বাজার ও মুর্শিদাবাদের লালগোলায় খোলা এই কেন্দ্রগুলোতে আটকদের জন্য খাবার, পানীয় ও প্রয়োজনীয় সব ব্যবস্থা নিশ্চিত করা হয়েছে। মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী জানিয়েছেন, রাজ্যের নিরাপত্তা ও স্থানীয় জনগণের স্বার্থ রক্ষা করাই এই অভিযানের মূল লক্ষ্য। আইনি প্রক্রিয়া শেষে শনাক্তকৃত অনুপ্রবেশকারীদের সীমান্ত নিরাপত্তা বাহিনীর (বিএসএফ) হাতে তুলে দেওয়া হবে। মালদা ও সীমান্ত এলাকাগুলোতে এখন নজরদারি ও যাচাই প্রক্রিয়া আরও কঠোর করা হয়েছে, যা রাজ্যের সামগ্রিক নিরাপত্তার প্রশ্নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।





