নতুন সরকারের শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানের পর থেকেই দেশবাসীর নজর ছিল একটি বিশেষ প্রশ্নের ওপর—কার দখলে যাচ্ছে ক্রীড়া দফতর? অবশেষে সেই উৎকণ্ঠার অবসান ঘটল। আজ সরকারিভাবে ঘোষণা করা হলো কেন্দ্রীয় ক্রীড়া ও যুব কল্যাণ মন্ত্রকের নতুন দায়িত্বভার। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর অত্যন্ত আস্থাভাজন এক নেতার কাঁধেই তুলে দেওয়া হয়েছে ভারতীয় খেলাধুলার ভবিষ্যৎ গড়ার গুরুদায়িত্ব।
দায়িত্বে কে এলেন? বিজেপি সরকারের এই গুরুত্বপূর্ণ দফতরটির মন্ত্রী হিসেবে নাম ঘোষণা করা হয়েছে [সংশ্লিষ্ট নেতার নাম]*। অভিজ্ঞ এবং দক্ষ সংগঠক হিসেবে পরিচিত এই নেতা এবার থেকে দেশের ক্রীড়া পরিকাঠামো উন্নয়ন এবং অলিম্পিক প্রস্তুতির মতো বিষয়গুলো তদারকি করবেন। পূর্বসূরিদের সাফল্যের ধারা বজায় রেখে ভারতীয় অ্যাথলিটদের বিশ্বমঞ্চে আরও শক্তিশালী করে তোলাই হবে তাঁর প্রধান চ্যালেঞ্জ।
কেন এই রদবদল গুরুত্বপূর্ণ? সামনেই রয়েছে একাধিক আন্তর্জাতিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতা। পাশাপাশি ২০৩৬ সালের অলিম্পিক আয়োজনের জন্য ভারত যে স্বপ্ন দেখছে, তাতে এই মন্ত্রকের ভূমিকা অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ। রাজনৈতিক মহলের মতে, সঠিক নেতৃত্ব এবং আধুনিক দৃষ্টিভঙ্গি সম্পন্ন কাউকেই এই পদের জন্য বেছে নেওয়া হয়েছে, যাতে তরুণ প্রজন্মের খেলোয়াড়রা আরও বেশি সুযোগ ও সুবিধা লাভ করতে পারেন।
আগামীর লক্ষ্য: নতুন ক্রীড়ামন্ত্রী দায়িত্ব নিয়েই জানিয়েছেন যে, তাঁর প্রথম কাজ হবে তৃণমূল স্তর থেকে প্রতিভা অন্বেষণ করা। বিশেষ করে গ্রামীণ ভারতের খেলোয়াড়দের জন্য উন্নত প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করা এবং ‘খেলো ইন্ডিয়া’র মতো প্রকল্পগুলোকে আরও জনপ্রিয় করে তোলা।
ভারতীয় খেলাধুলার এই নতুন মোড়ে আপনার প্রতিক্রিয়া কী? নতুন মন্ত্রীর অধীনে ভারত কি অলিম্পিকে আরও পদক জিততে পারবে? আপনার মতামত জানান আমাদের কমেন্ট বক্সে।





