রাজ্য মন্ত্রিসভার সম্প্রসারণের পর সোমবার এক ঐতিহাসিক মুহূর্তের সাক্ষী থাকল লোকভবন। বিরোধী দলনেতা তথা নতুন সরকারের গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বপ্রাপ্ত শুভেন্দুর নেতৃত্বে ৩৫ জন মন্ত্রী শপথ গ্রহণ করলেন। ১৩ জন পূর্ণমন্ত্রী, ৩ জন স্বাধীন দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রতিমন্ত্রী এবং ১৯ জন প্রতিমন্ত্রীর শপথগ্রহণের মাধ্যমে নতুন মন্ত্রিসভার রূপরেখা চূড়ান্ত হলো।
শপথ অনুষ্ঠানের পর থেকেই রাজনৈতিক মহলে শুরু হয়েছে নতুন জল্পনা। নতুন ও পুরনোদের মিশেলে তৈরি এই মন্ত্রিসভার ওপরই আগামী দিনের রাজ্যের বড় দায়িত্ব বর্তাচ্ছে। শপথ নেওয়ার পর নতুন মন্ত্রীরা প্রত্যেকেই একযোগে জানিয়েছেন, তাঁদের প্রধান লক্ষ্য হলো স্বচ্ছ প্রশাসন এবং উন্নয়নের ধারাকে ত্বরান্বিত করা।
শপথগ্রহণ শেষে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে নবনিযুক্ত মন্ত্রীদের একাংশ বলেন, “এটি কেবল একটি দায়িত্ব নয়, এটি জনগণের প্রতি দায়বদ্ধতা। শুভেন্দু আমাদের যে বিশ্বাস রেখেছেন, তা প্রমাণ করাই আমাদের লক্ষ্য।” অন্যদিকে, বিরোধী শিবির থেকে নতুন মন্ত্রিসভার ওপর নজর রাখা হচ্ছে। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, ৩৫ জনের এই বৃহৎ মন্ত্রিসভা গঠন করে শুভেন্দু আসলে প্রশাসনিক দক্ষতা এবং রাজনৈতিক ভারসাম্যের মধ্যে একটি সেতুবন্ধন তৈরির চেষ্টা করেছেন।
মন্ত্রিসভার তালিকা প্রকাশের পরই এখন শুরু হয়েছে দপ্তরের বন্টন নিয়ে জল্পনা। কার হাতে কোন গুরুত্বপূর্ণ দপ্তরের ভার পড়ে, সেদিকেই তাকিয়ে রয়েছে এখন বাংলার সাধারণ মানুষ।
সম্পাদকীয় টিপস: ডেইলিহান্টে পাঠকদের এনগেজমেন্ট বাড়াতে একটি ‘ইনফোগ্রাফিক টেবিল’ যোগ করতে পারেন, যেখানে পূর্ণমন্ত্রী, স্বাধীন দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রতিমন্ত্রী এবং প্রতিমন্ত্রী—এই তিন ক্যাটাগরিতে কয়জন এবং কার কার নাম রয়েছে, তা স্পষ্ট করে দেওয়া থাকবে। এটি পাঠকদের পড়ার আগ্রহ অনেকাংশে বাড়িয়ে দেয়।





