শামির বলে আগুন, পন্তের ব্যাটে তুফান! নিজামের শহরে হায়দরাবাদকে নাস্তানাবুদ করল ‘নবাব’রা

নিজামের শহরে চলল ‘নবাব’দের দাপট। একদিকে মহম্মদ শামির আগ্নেয় বোলিং, আর অন্যদিকে ঋষভ পন্তের চেনা মেজাজে বিধ্বংসী হাফসেঞ্চুরি— এই জোড়া ফলায় বিদ্ধ হয়ে ঘরের মাঠেই হার মানতে হলো হায়দরাবাদকে। চলতি মরসুমে নিজেদের প্রথম জয় ছিনিয়ে নিয়ে লিগ টেবিলে খাতা খুলল লখনউ।

শামির আগুনে স্পেল: টসে জিতে প্রথমে বোলিং করার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন লখনউ অধিনায়ক। আর বল হাতে শুরুতেই জ্বলে উঠলেন মহম্মদ শামি। তাঁর নিখুঁত লাইন এবং লেংথ আর বিষাক্ত সুইংয়ের সামনে হায়দরাবাদের টপ অর্ডার ছিল কার্যত অসহায়। পাওয়ার প্লে-তেই গুরুত্বপূর্ণ উইকেট তুলে নিয়ে হায়দরাবাদের ব্যাটিং মেরুদণ্ড ভেঙে দেন তিনি। শামির ৪ ওভারের কোটায় মাত্র কয়েক রান দিয়ে শিকার করা উইকেটগুলোই ম্যাচের ভাগ্য নির্ধারণ করে দেয়।

পন্তের ‘ম্যাজিক’ ইনিংস: জবাবে ব্যাট করতে নেমে লখনউ যখন কিছুটা চাপে, তখনই ত্রাতার ভূমিকায় অবতীর্ণ হন ঋষভ পন্ত। মাঠের চারদিকে তাঁর সিগনেচার শট আর গ্যালারি মাতানো ছক্কায় কুপোকাত হয় হায়দরাবাদের বোলাররা। মাত্র ৩০ বলের আশেপাশে নিজের মারকুটে হাফসেঞ্চুরি পূর্ণ করেন তিনি। পন্তের এই ইনিংসের ওপর ভর করেই জয়ের লক্ষ্যে অনায়াসে পৌঁছে যায় নবাবরা।

ম্যাচের মোড়: হায়দরাবাদের বোলাররা শুরুটা ভালো করলেও পন্ত এবং শামির অভিজ্ঞতার কাছে শেষ পর্যন্ত হার মানতে হয় তাদের। নিজাম স্টেডিয়ামের দর্শকরা আজ কেবল লখনউয়ের দাপটই চাক্ষুষ করলেন।

“ছেলেরা আজ অসাধারণ ক্রিকেট খেলেছে। শামি শুরুটা সেট করে দিয়েছিল আর পন্ত ম্যাচটা শেষ করে এল।” — ম্যাচ শেষে লখনউ শিবিরের উচ্ছ্বাস।

এই জয়ের ফলে আত্মবিশ্বাস ফিরে পেল লখনউ। অন্য দিকে, নিজেদের ঘরের মাঠে হেরে এখন ঘুরে দাঁড়ানোর লড়াই হায়দরাবাদের সামনে।

Related Posts

© 2026 Tips24 - WordPress Theme by WPEnjoy