সারাদিন কঠোর ডায়েট মেনেই চলেন, কিন্তু রাত নামলেই কি মন আইসক্রিম বা চিপসের দিকে ঝুঁকে পড়ে? রাতের বেলা এই অনিয়ন্ত্রিত খাওয়ার প্রবণতা কিন্তু শুধুমাত্র ইচ্ছাশক্তির অভাব নয়, এর পেছনে রয়েছে শারীরিক ও হরমোনজনিত জটিল কারণ।
বিশেষজ্ঞদের মতে, দিনের শেষে ক্লান্তি ও মানসিক চাপ আমাদের মস্তিষ্ককে ‘রিওয়ার্ড’ বা পুরস্কার খুঁজতে বাধ্য করে। ফলে আমরা স্বাস্থ্যকর খাবারের বদলে চিনি বা নোনতা স্ন্যাকসের দিকে বেশি আকৃষ্ট হই। এছাড়া ঘুমের অভাবও এই সমস্যার অন্যতম বড় কারণ। রাত জাগলে শরীরে ক্ষুধা বাড়ানোর হরমোন সক্রিয় হয়ে ওঠে, যা আপনাকে বারবার খাবারের সন্ধানে প্ররোচিত করে। আবার যারা ওজন কমানোর চাপে সারাদিন না খেয়ে থাকেন বা অত্যন্ত কঠোর ডায়েট করেন, তাদের শরীরে শক্তির ঘাটতি দেখা দেয়। ফলে রাতের বেলা হঠাতই প্রবল ক্ষুধার উদ্রেক হয় এবং মানুষ নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ফেলে।
এই অভ্যাস থেকে মুক্তি পেতে প্রথমেই সুষম ডায়েট মেনে চলুন এবং দিনের বেলায় পর্যাপ্ত প্রোটিন গ্রহণ করুন। কোনোভাবেই খাবার বাদ (মিলে স্কিপ) দেবেন না। রাত ৮-১০টার মধ্যে রাতের খাবার খেয়ে নেওয়ার অভ্যাস করুন এবং অন্তত ৭-৮ ঘণ্টা গভীর ঘুম নিশ্চিত করুন। মানসিক চাপ কমাতে খাবারের বদলে মেডিটেশন বা রিলাক্সেশন টেকনিক বেছে নিন। সবচেয়ে জরুরি হলো টিভি দেখার সময় স্ন্যাকস খাওয়ার অভ্যাস ত্যাগ করা। সচেতনতাই পারে আপনার রাতের এই ‘ক্রেভিং’ নিয়ন্ত্রণে রাখতে।





