রাজ্যবাসীর সুবিধার্থে ফের বড়সড় পদক্ষেপ নিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ফের একবার রাজ্যজুড়ে শুরু হতে চলেছে সরকারি প্রকল্পের বিশেষ ক্যাম্প। যারা দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্ন সরকারি প্রকল্পের সুবিধা থেকে বঞ্চিত ছিলেন বা নতুন করে আবেদন করতে চান, তাদের জন্য এটি সুবর্ণ সুযোগ।
কবে থেকে শুরু হচ্ছে এই ক্যাম্প?
নবান্ন সূত্রে খবর, আগামী [তারিখ বসান] তারিখ থেকে রাজ্যের প্রতিটি ব্লকে এবং মিউনিসিপ্যালিটি এলাকায় এই ক্যাম্প শুরু হবে। সাধারণত এই প্রক্রিয়াটি টানা ১৫ থেকে ২০ দিন ধরে চলে। নির্দিষ্ট এলাকায় ক্যাম্প বসার সময়সূচী স্থানীয় পঞ্চায়েত বা পুরসভা অফিস থেকে পাওয়া যাবে।
কারা আবেদন করতে পারবেন?
পশ্চিমবঙ্গের স্থায়ী বাসিন্দা এমন যে কোনো নাগরিক নিজের প্রয়োজন অনুযায়ী নির্দিষ্ট প্রকল্পে আবেদন করতে পারবেন। মূলত:
-
নতুন করে যারা সরকারি সুবিধা নিতে চান।
-
যাদের আগের আবেদনে কোনো ভুল ছিল এবং তা সংশোধন করতে চান।
-
যাদের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট বা আধার লিঙ্কে সমস্যা রয়েছে।
কোন কোন প্রকল্পের সুবিধা মিলবে?
এই বিশেষ ক্যাম্পে একগুচ্ছ প্রকল্পের আবেদন গ্রহণ ও সমস্যার সমাধান করা হবে:
-
লক্ষ্মীর ভাণ্ডার: নতুন আবেদন ও নাম সংশোধন।
-
বার্ধক্য ও বিধবা ভাতা: যোগ্য উপভোক্তাদের নাম নথিভুক্তকরণ।
-
স্বাস্থ্যসাথী কার্ড: নতুন কার্ড বা কার্ডে সদস্য যোগ করা।
-
কাস্ট সার্টিফিকেট: SC/ST/OBC সার্টিফিকেটের জন্য আবেদন।
-
কৃষক বন্ধু: কৃষকদের আর্থিক সহায়তার আবেদন।
-
বিনামূল্যে সামাজিক সুরক্ষা যোজনা ও মানবিক পেনশন।
আবেদনের জন্য কী কী নথি লাগবে? (চেকলিস্ট)
ক্যাম্পে যাওয়ার আগে নিচের নথিগুলোর অরিজিনাল এবং ফটোকপি (জেরক্স) গুছিয়ে রাখুন: ১. আধার কার্ড (সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ)। ২. রেশন কার্ড। ৩. ভোটার কার্ড। ৪. ব্যাঙ্কের পাসবই (অবশ্যই আবেদনকারীর নিজস্ব অ্যাকাউন্ট হতে হবে)। ৫. পাসপোর্ট সাইজ ফটো। ৬. কাস্ট সার্টিফিকেট (প্রযোজ্য ক্ষেত্রে)। ৭. স্বাস্থ্যসাথী কার্ড (লক্ষ্মীর ভাণ্ডারের আবেদনের জন্য বাধ্যতামূলক)।