পবিত্র রমজান মাসের শান্ত পরিবেশ নিমেষেই বদলে গেল রণক্ষেত্রে। মধ্যরাতে হঠাৎই গর্জে উঠল পাকিস্তানের যুদ্ধবিমান। আফগানিস্তান সীমান্তের খোস্ত এবং পাক্তিকা প্রদেশে পাকিস্তানের অতর্কিত বিমান হানায় প্রাণ হারিয়েছেন বহু সাধারণ মানুষ। সূত্রের খবর, পাক বায়ুসেনার এই অভিযানে অন্তত ৮ থেকে ১০ জনের মৃত্যু হয়েছে, যার মধ্যে মহিলা ও শিশুরাও রয়েছে। পাকিস্তানের দাবি, গত কয়েকদিনে তাদের সেনার ওপর হওয়া হামলার বদলা নিতেই এই ‘অপারেশন ইন্টেলিজেন্স’ চালানো হয়েছে।
আফগান তালিবান সরকার এই হামলার তীব্র নিন্দা করে একে সার্বভৌমত্বের ওপর আঘাত বলে বর্ণনা করেছে। সীমান্তের ওপার থেকে আসা খবর অনুযায়ী, রাতের অন্ধকারে সাধারণ মানুষের ঘরবাড়ি লক্ষ্য করে একের পর এক বোমা বর্ষণ করা হয়েছে। ঘটনার পর থেকে দুই দেশের সীমান্তে উত্তেজনা চরমে পৌঁছেছে। যে কোনো মুহূর্তে বড় মাপের যুদ্ধ শুরু হওয়ার আশঙ্কা করছেন প্রতিরক্ষা বিশেষজ্ঞরা। রমজান মাসে এই রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষে আন্তর্জাতিক মহলেও উদ্বেগের ছায়া নেমে এসেছে। পাকিস্তান সেনার পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, জঙ্গিদের গোপন ডেরা লক্ষ্য করেই এই হামলা চালানো হয়েছিল, তবে সিভিলিয়ান ক্যাজুয়ালটি বা সাধারণ মানুষের মৃত্যু নিয়ে মুখে কুলুপ এঁটেছে ইসলামাবাদ।