মধ্যপ্রাচ্যের রণক্ষেত্রে ঘনীভূত হচ্ছে যুদ্ধের কালো মেঘ। একদিকে ক্ষেপণাস্ত্রের বৃষ্টি, অন্যদিকে বিশ্ববাজারে তেলের তীব্র সংকট— এই অগ্নিগর্ভ পরিস্থিতিতে এবার ত্রাতার ভূমিকায় অবতীর্ণ হলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। বৃহস্পতিবার কাতার, ফ্রান্স, জর্ডান, ওমান ও মালয়েশিয়ার রাষ্ট্রপ্রধানদের সঙ্গে এক উচ্চপর্যায়ের জরুরি আলোচনায় বসেন তিনি।
প্রধানমন্ত্রী মোদী কাতার ও ওমানের মতো শক্তি ভাণ্ডারগুলোর ওপর সাম্প্রতিক হামলার কড়া নিন্দা করেছেন। কাতারের আমির শেখ তামিম বিন হামাদ আল থানিকে ইদের শুভেচ্ছা জানানোর পাশাপাশি তিনি স্পষ্ট করেছেন যে, ভারত এই বিপদে তাঁদের পাশে আছে। জর্ডানের রাজা দ্বিতীয় আবদুল্লাহকে ‘ভাই’ সম্বোধন করে মোদী জানান, আলোচনার মাধ্যমেই এই সংঘাত মেটানো সম্ভব। ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট ইম্যানুয়েল ম্যাক্রঁর সঙ্গেও দীর্ঘক্ষণ কথা বলেন তিনি।
সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো, হরমুজ প্রণালী দিয়ে সুরক্ষিতভাবে পণ্য ও তেল চলাচলের পক্ষে জোরদার সওয়াল করেছেন মোদী। যুদ্ধের জেরে আটকে পড়া হাজার হাজার ভারতীয়কে নিরাপদে ফিরিয়ে আনার জন্য ওমানের সুলতানের প্রচেষ্টাকে সাধুবাদ জানান তিনি। বিশ্ব অর্থনীতির মেরুদণ্ড অর্থাৎ তেলের জোগান যাতে অক্ষুণ্ণ থাকে, তার জন্য কূটনৈতিক স্তরে মোদীর এই দৌত্য এখন আন্তর্জাতিক মহলে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু।