পশ্চিম এশিয়ায় রক্তক্ষয়ী যুদ্ধের আবহে এক হাই-ভোল্টেজ বৈঠকের সাক্ষী হতে চলেছে পাকিস্তান। তবে শুক্রবার ইসলামাবাদে আমেরিকা ও ইরানের এই প্রস্তাবিত আলোচনা শুরুর আগেই ঘনীভূত হচ্ছে অনিশ্চয়তার কালো মেঘ। প্রশ্ন উঠেছে, শেষ পর্যন্ত যুযুধান দুই পক্ষ কি আদেও এক টেবিলে বসবে?
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানের ওপর চরম হামলার হুমকি দেওয়ার ঠিক পরেই এই যুদ্ধবিরতি ঘোষণা করা হয়। ওয়াশিংটন তাদের অবস্থান স্পষ্ট করে জানিয়েছে, মার্কিন প্রতিনিধি দলের নেতৃত্বে থাকছেন ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স, বিশেষ দূত স্টিভ উইটকফ এবং জ্যারেড কুশনার। তবে ইরানের পক্ষ থেকে জট কাটছে না। তেহরানের দাবি, লেবাননে ইজরায়েলি হামলা না থামলে এবং আমেরিকা কথা না রাখলে তারা কোনো আলোচনায় বসবে না।
এই উত্তপ্ত পরিস্থিতির মধ্যেই ঘি ঢেলেছেন পাকিস্তানের প্রতিরক্ষা মন্ত্রী খাজা আসিফ। ইজরায়েলকে ‘অভিশাপ’ এবং ‘ক্যান্সার’ বলে তোপ দেগে তিনি আন্তর্জাতিক মহলে শোরগোল ফেলে দিয়েছেন। তাঁর মন্তব্যে পাল্টা তোপ দেগে তেল আভিভ জানিয়েছে, শান্তির ‘দালালি’ করতে বসা কোনো দেশের মন্ত্রীর মুখে এমন ভাষা মানায় না। মধ্যস্থতাকারীর ভূমিকায় থাকা পাকিস্তান একদিকে যখন দুই পক্ষকে শান্ত করার চেষ্টা করছে, অন্যদিকে তাদের মন্ত্রীর এই বিস্ফোরক বয়ান বৈঠকটিকে খাদের কিনারায় দাঁড় করিয়ে দিয়েছে।





