মধ্য এশিয়ায় যুদ্ধের দামামা বাজতেই ঘরমুখী হাজার হাজার ভারতীয়। কিন্তু প্রাণ বাঁচাতে দেশ ছাড়ার তাড়াহুড়োয় বিপাকে পড়েছিলেন বহু পোষ্য মালিক। যুদ্ধবিধ্বস্ত দেশগুলোতে নিজেদের প্রিয় কুকুর বা বিড়ালকে ফেলে আসতে বাধ্য হচ্ছিলেন অনেকেই। সেই উদ্বেগ দূর করতে এবার ঐতিহাসিক পদক্ষেপ নিল কেন্দ্র। সেন্ট্রাল বোর্ড অফ ইনডাইরেক্ট ট্যাক্সেস অ্যান্ড কাস্টমস (CBIC) আটকে পড়া পোষ্যদের ভারতে ফিরিয়ে আনার ক্ষেত্রে এককালীন বিশেষ ছাড়ের ঘোষণা করেছে।
পশুসম্পদ ও দুগ্ধ উন্নয়ন বিভাগের স্মারকলিপি অনুযায়ী, অস্বাভাবিক যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে নথিপত্রের কড়াকড়ি শিথিল করা হয়েছে। মালিকদের শুধু লিখিতভাবে জানাতে হবে যে পোষ্যটি অন্তত এক মাস ধরে তাঁদের সঙ্গেই ছিল। টিকাকরণের নথিপত্র বা ‘পেট পাসপোর্ট’ অসম্পূর্ণ থাকলেও চিন্তার কারণ নেই; প্রবেশ বন্দরে শারীরিক পরীক্ষা ও জলাতঙ্কের টিকা দেওয়ার পরই মিলবে ছাড়পত্র। চূড়ান্ত অনুমোদনের দায়িত্বে থাকবে ‘অ্যানিমেল কোয়ারেন্টাইন অ্যান্ড সার্টিফিকেশন সার্ভিসেস’।
অন্যদিকে, যুদ্ধের প্রভাবে ইউরোপ ও আমেরিকার উড়ানেও এসেছে বড় বদল। ইরান ও ইরাকের আকাশসীমা নিষিদ্ধ হওয়ায় এয়ার ইন্ডিয়ার বিমানগুলিকে এখন মিশরের দীর্ঘ পথ দিয়ে যাতায়াত করতে হচ্ছে। যাত্রীদের ভোগান্তি কমাতে এবং পাইলটদের কাজের সময়সীমায় সামঞ্জস্য আনতে ‘ফ্লাইট ডিউটি টাইম’-এর নিয়মে ৩০ এপ্রিল পর্যন্ত বিশেষ ছাড় দিয়েছে ডিজিসিএ। বিপদের দিনে ভারত সরকারের এই দ্বিমুখী সিদ্ধান্তে স্বস্তিতে প্রবাসী ভারতীয় থেকে বিমান কর্মীরা।