মৃত্যুর ওপারে ঠিক কী আছে? এই রহস্যের উত্তর খুঁজতে গিয়ে নর্থ ক্যারোলিনার প্যামেলা ন্যান্স যা শোনালেন, তা বিজ্ঞান ও বিশ্বাসের লড়াইকে নতুন করে উসকে দিয়েছে। ১৯৯০ সালে মাত্র ২২ বছর বয়সে অভ্যন্তরীণ রক্তক্ষরণের কারণে প্যামেলার হৃৎস্পন্দন স্তব্ধ হয়ে গিয়েছিল। চিকিৎসকরা তাঁকে ‘ক্লিনিক্যালি ডেড’ ঘোষণা করেছিলেন। কিন্তু টানা ৪ দিন পর অলৌকিকভাবে ফিরে আসেন তিনি।
প্যামেলার দাবি, সেই চার দিন তিনি ছিলেন এক অপার্থিব জগতে। শরীর থেকে বিচ্ছিন্ন হওয়ার পর তিনি নিজেকে আবিষ্কার করেন এক মায়াবী সবুজ উপত্যকায়, যার কেন্দ্রে ছিল বিশাল এক ‘ট্রি অফ লাইফ’। আশ্চর্যের বিষয় হলো, সেখানে তিনি কোনো রক্ত সম্পর্কের আত্মীয়র দেখা পাননি। বদলে একদল বন্য পশু তাঁকে ঘিরে ধরে পরম স্নেহে। ভিড় সরিয়ে সামনে আসে তাঁর প্রিয় পোষ্য কুকুর ‘হোলি’, যে মাত্র কয়েক ঘণ্টা আগেই মারা গিয়েছিল। প্যামেলার মতে, এই নিঃশর্ত ভালোবাসার টানেই হয়তো পশুরা আগে দেখা দেয়। বর্তমানে ইউটিউবে ভাইরাল এই কাহিনী নিয়ে গবেষকদের মধ্যে চলছে কাটাছেঁড়া— এটি নিছক হ্যালুসিনেশন নাকি পারলৌকিক সত্য, তা নিয়ে চলছে তীব্র বিতর্ক।





