এটি কোনো সাধারণ সাক্ষাৎকার নয়, বরং স্মৃতির সরণি বেয়ে এক অনন্য পথচলা। এবার এবিপি আনন্দের মুখোমুখি হলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তবে সেখানে তিনি কেবল প্রশাসনিক প্রধান নন, বরং ধরা দিলেন ব্যক্তি মমতা হিসেবে। ৩০-বি হরিশ চ্যাটার্জি স্ট্রিটের সেই পরিচিত অন্দরমহলে এবিপি আনন্দের এক্সিকিউটিভ ভাইস প্রেসিডেন্ট সুমন দে-র সঙ্গে এক দীর্ঘ আলাপচারিতায় মেতে উঠলেন তিনি।
দশকের পর দশক ধরে বিরোধী রাজনীতির আইকন হিসেবে দাঁতে দাঁত চেপে লড়াই করেছেন তিনি। কখনও প্রাণ হাতে করে রাজপথে আন্দোলন, আবার কখনও গত ১৫ বছর ধরে রাজ্যের অভিভাবিকা হিসেবে সাফল্যের সঙ্গে সরকার পরিচালনা—সব অধ্যায়ই উঠে এল এই কথোপকথনে। বর্তমান রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট থেকে শুরু করে আগামী দিনের রাজনৈতিক পূর্বাভাস, বাদ গেল না কিছুই। উঠে এল দিল্লির রাজনীতির চড়াই-উতরাই এবং সমসাময়িক নানা রাজনৈতিক চরিত্রের প্রসঙ্গও।
মুখ্যমন্ত্রীর কথায় উঠে এল এমন কিছু চাঞ্চল্যকর তথ্য ও অভিজ্ঞতার কথা, যা আগে কখনও প্রকাশ্যে আসেনি। নিজের পরিবার, শৈশব এবং কঠিন লড়াইয়ের দিনগুলি নিয়ে কথা বলতে গিয়ে আবেগপ্রবণ হয়ে পড়েন নেত্রী। বিধানসভা ভোটের প্রাক্কালে মমতার এই ‘স্মৃতিচারণ’ রাজনৈতিক মহলে বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে। পর্দার ওপারে থাকা সাধারণ মানুষ এবার খুব কাছ থেকে চিনতে পারবেন লড়াকু সেই অগ্নিকন্যাকে।