ভারত-বাংলাদেশ সীমান্ত সংলগ্ন মালদহ জেলা ফের একবার শিরোনামে। সৌজন্যে, একটি ৮ সদস্যের জঙ্গি মডিউল যার মূলচক্রী বা ‘মাথা’ হিসেবে উঠে আসছে মালদহের উমর ফারুকের নাম। তদন্তকারীদের দাবি, কাশ্মীরের লস্কর জঙ্গি সাবির আহমেদ লোনের সঙ্গে হাত মিলিয়ে এপার বাংলা ও ওপার বাংলায় এক ভয়ংকর নাশকতার জাল বুনেছিল এই উমর। সম্প্রতি এই মডিউলের পর্দাফাঁস হতেই কেন্দ্রীয় ও রাজ্য গোয়েন্দা সংস্থাগুলোর কপালে চিন্তার ভাঁজ পড়েছে।
কীভাবে আলাপ সাবির আর উমরের? গোয়েন্দা সূত্রে খবর, কাশ্মীরের জঙ্গি সাবির আহমেদ লোন বাংলাদেশে লস্কর নেটওয়ার্ক গড়ে তোলার কাজ করছিল। সেখানে জামাতপন্থী কিছু সংগঠনের সাহায্যে স্লিপার সেল তৈরি করাই ছিল তার প্রধান লক্ষ্য। এই নেটওয়ার্ক বিস্তারের সময় ভারতে অনুপ্রবেশকারী কিছু বাংলাদেশির মাধ্যমে সাবিরের সঙ্গে যোগাযোগ হয় মালদহের উমর ফারুকের। সীমান্তবর্তী জেলা হওয়ায় উমরের নেটওয়ার্ক সাবিরকে নতুন স্লিপার সেল সংগঠিত করতে এবং রসদ জোগাতে প্রভূত সাহায্য করেছিল।
তদন্তে উঠে আসা ভয়ংকর তথ্য: তদন্তকারী সংস্থাগুলোর দাবি, বাংলাদেশের সাম্প্রতিক অশান্ত পরিস্থিতিকে কাজে লাগিয়ে ভারতবিরোধী শক্তিকে সংগঠিত করার ছক কষেছিল সাবির ও উমর জুটি। মালদহের মতো সীমান্তবর্তী জেলাকে ট্রানজিট পয়েন্ট হিসেবে ব্যবহার করে বিস্ফোরক ও অস্ত্র চোরাচালানের পরিকল্পনাও ছিল তাদের। উমর ফারুকের অধীনে থাকা মডিউলের বাকি ৭ সদস্যের সন্ধানে ইতিমধ্য়েই তল্লাশি শুরু করেছে পুলিশ। তারা মূলত ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম ব্যবহার করে সাংকেতিক ভাষায় একে অপরের সঙ্গে যোগাযোগ রাখত।