বাংলা চলচ্চিত্র ও নাট্য জগতের এক উজ্জ্বল নক্ষত্র পতন ঘটল। প্রয়াত হলেন বর্ষীয়ান অভিনেতা তমাল রায়চৌধুরী। তাঁর প্রয়াণে টলিউডের অন্দরে শোকের ছায়া। বিশেষ করে ‘আলো’ সিনেমার সেই সেট, সেই আড্ডা আর অনুশাসনের দিনগুলো আজ তাজা হয়ে উঠছে অভিনেতা ভাস্বর চট্টোপাধ্যায়ের স্মৃতিতে। ভাস্বর আবেগপ্রবণ হয়ে স্মৃতিচারণ করে বলেন, “আমরা তাঁকে ‘মাল জেঠু’ বলে ডাকতাম। ওঁর রসবোধ ছিল অসাধারণ। গম্ভীর মুখে এমন সব জোকস বলতেন যে আমরা হেসেই খুন হতাম। শুটিংয়ের ফাঁকে ওঁর থেকে কত কী শিখেছি, আজ সব আবছা হয়ে যাচ্ছে।”
শুধু ভাস্বর নন, শোকাতুর সুজয় প্রসাদ চট্টোপাধ্যায় এবং সুজন (নীল) মুখোপাধ্যায়ও। সুজয় প্রসাদ বলেন, “তমাল দা ছিলেন একজন প্রকৃত শিল্পী। তাঁর অভিনয় ক্ষমতা নিয়ে নতুন করে বলার কিছু নেই, কিন্তু মানুষ হিসেবে তিনি ছিলেন বটবৃক্ষের মতো।” অন্যদিকে সুজন মুখোপাধ্যায় স্মৃতি হাতড়ে জানান, স্টুডিও পাড়ায় তমাল রায়চৌধুরীর উপস্থিতি মানেই ছিল একটা আলাদা আভিজাত্য। তাঁর চলে যাওয়া মানে একটা যুগের অবসান। কাজ পাগল এই মানুষটি পর্দার আড়ালে যে কতটা রসিক ছিলেন, তা কেবল তাঁর কাছের মানুষরাই জানতেন। আজ সেই হাসি, সেই আড্ডা চিরতরে স্তব্ধ হয়ে গেল।