মেদিনীপুরের কর্ণগড় এলাকায় এক গ্রামীণ চিকিৎসককে মারধর ও হেনস্থা করার অভিযোগ উঠল স্থানীয় তৃণমূল নেতার বিরুদ্ধে। অভিযুক্ত কাঞ্চন চক্রবর্তী কর্ণগড় অঞ্চল তৃণমূলের সভাপতি। অভিযোগ, বাড়িতে গিয়ে রোগী দেখতে অস্বীকার করায় চিকিৎসক নিখিল কুমার ঘোষকে তাঁর চেম্বারের মধ্যেই বেধড়ক মারধর করেন ওই নেতা। এমনকি তাঁকে রীতিমতো তুলে নিয়ে গিয়ে রোগী দেখতে বাধ্য করা হয় বলেও অভিযোগ উঠেছে।
নিগৃহীত চিকিৎসক নিখিল কুমার ঘোষ জানান, করোনা পরিস্থিতির পর থেকেই তিনি বাড়িতে গিয়ে রোগী দেখা বন্ধ করে দিয়েছেন। বারবার এই কথা তৃণমূল নেতাকে জানানোর পরেও তাঁর ওপর চড়াও হওয়া হয়। সবচেয়ে চাঞ্চল্যকর বিষয় হলো, তাঁকে যখন জোর করে রোগীর বাড়িতে নিয়ে যাওয়া হয়, সেখানে গিয়ে তিনি দেখেন ওই বৃদ্ধার মৃত্যু হয়েছে অনেক আগেই। এই ঘটনার পর প্রাণভয়ে এলাকা ছেড়ে অন্য জায়গায় আশ্রয় নিয়েছেন ওই চিকিৎসক। তিনি শালবনি থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।
অভিযোগ অস্বীকার করে তৃণমূল নেতা কাঞ্চন চক্রবর্তীর দাবি, “মারধর নয়, শুধু একটু ধমক দিয়েছিলাম।” তবে এই ঘটনায় কড়া সমালোচনা করেছে বিজেপি। মেদিনীপুর সাংগঠনিক জেলার বিজেপি সহ-সভাপতি ডঃ শঙ্কর গুছাইত বলেন, “একজন চিকিৎসকও আজ সুরক্ষিত নন। পুলিশ প্রশাসনের অবিলম্বে ব্যবস্থা নেওয়া উচিত।”