২০২৬-এর বিধানসভা নির্বাচনে দক্ষিণ ২৪ পরগনার সোনারপুর দক্ষিণ কেন্দ্র থেকে বিজেপির তুরুপের তাস রুপা গঙ্গোপাধ্যায়। বৃহস্পতিবার প্রার্থী তালিকায় নিজের নাম দেখার পর সংবাদমাধ্যমের সামনে আবেগপ্রবণ হয়ে পড়েন তিনি। তবে সেই আবেগের সঙ্গে মিশে ছিল তীব্র জেদ। রূপা স্পষ্ট ভাষায় জানিয়ে দেন, গত কয়েক বছরে বাংলায় বিজেপি করতে গিয়ে তিনি এবং তাঁর দলের কর্মীরা যে অবর্ণনীয় অত্যাচারের শিকার হয়েছেন, তা তিনি এক মুহূর্তের জন্যও ভোলেননি।
সোনারপুর দক্ষিণের বিজেপি প্রার্থী বলেন, “পশ্চিমবঙ্গে আমরা যেভাবে দিনের পর দিন মার খেয়েছি, পুলিশ যেভাবে আমাদের ভয় দেখিয়েছে, আমি তার কিছুই ভুলিনি। আমাদের সাধারণ কার্যকর্তারা মার খেয়েছেন, মিথ্যে মামলায় ফেঁসেছেন। সেই যন্ত্রণার কথা মনে রেখেই আমি এবার ময়দানে নামছি।” রূপার এই মন্তব্য রাজনৈতিক মহলে শোরগোল ফেলে দিয়েছে। তিনি আরও যোগ করেন, নির্বাচনী লড়াই তাঁর কাছে কেবল একটি পদ পাওয়ার লড়াই নয়, বরং কর্মীদের ওপর হওয়া ‘অন্যায়ের’ জবাব দেওয়ার মঞ্চ।
বিজেপির অন্দরে রূপা গঙ্গোপাধ্যায়ের লড়াকু ভাবমূর্তি সর্বজনবিদিত। মাঝখানে বেশ কিছুদিন তাঁকে সক্রিয় রাজনীতিতে সেভাবে দেখা না গেলেও, ২০২৬-এর এই মহাযুদ্ধে দল তাঁর ওপরেই ভরসা রেখেছে। বিশেষ করে সোনারপুর দক্ষিণের মতো গুরুত্বপূর্ণ আসনে রূপার উপস্থিতি শাসকদল তৃণমূলের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ হতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে। এখন দেখার, রূপার এই ‘স্মৃতিচারণ’ আর ‘লড়াইয়ের ডাক’ ভোটবাক্সে কতটা প্রভাব ফেলে।