শুটিং সেটের গ্ল্যামার আর পর্দার রোমাঞ্চের আড়ালে লুকিয়ে থাকে কঠিন পরিশ্রম আর অনেক সময় প্রাণঘাতী ঝুঁকি। সম্প্রতি অভিনেতা রাহুলকে নিয়ে মাঝ সমুদ্রে একটি বড়মাপের শুটিং নিয়ে টলিউড মহলে জোর চর্চা শুরু হয়েছে। উত্তাল সমুদ্র, বিশাল ইউনিট আর তার মাঝেই শুটিং—সব মিলিয়ে নিরাপত্তার বিষয়টি বড়সড় প্রশ্নচিহ্নের মুখে দাঁড়িয়েছে।
অনেকের মনেই প্রশ্ন জেগেছে, এত বড় মাপের একটি কাজ যেখানে সরাসরি সমুদ্রের ঢেউয়ের সঙ্গে মোকাবিলা করতে হচ্ছে, সেখানে আদপে কি কোনো পর্যাপ্ত সুরক্ষা ব্যবস্থা ছিল? পরিচালক অবশ্য দাবি করেছেন যে শুটিং চলাকালীন কোনো বড় সমস্যা হয়নি, কিন্তু দর্শকদের মনে খটকা কাটছে না। কোনো পেশাদার লাইফ গার্ড বা আপদকালীন উদ্ধারকারী দল ছাড়াই কি এই ঝুঁকি নেওয়া হয়েছিল?
সাধারণত বড় বাজেটের ছবির ক্ষেত্রে সমুদ্রে শুটিং করতে গেলে বিশেষ অনুমতির প্রয়োজন হয়। পাশাপাশি ড্রোন ক্যামেরা, বোট এবং অভিজ্ঞ সাতারু রাখা বাধ্যতামূলক। কিন্তু রাহুলের এই শুটিংয়ের ক্ষেত্রে নানা সূত্র থেকে বিভ্রান্তিকর তথ্য উঠে আসছে। পরিচালক সেই দিনের অভিজ্ঞতা শেয়ার করতে গিয়ে জানিয়েছেন, সমুদ্রের মেজাজ বোঝা দায়। তাসত্ত্বেও তারা কাজ শেষ করেছেন। তবে প্রশ্ন থেকেই যায়, যদি কোনো দুর্ঘটনা ঘটত, তবে তার দায়ভার কে নিত? সিনেমার খাতিরে শিল্পীদের জীবন কি এভাবেই অনিশ্চয়তার মুখে ঠেলে দেওয়া হবে? আপাতত এই নিয়ে উত্তপ্ত আলোচনা চলছে ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রির অন্দরে।