নির্বাচনী নির্ঘণ্ট ঘোষণার পর থেকেই বাংলার প্রতিটি প্রান্তে প্রচারের পারদ চড়াচ্ছে তৃণমূল কংগ্রেস। বৃহস্পতিবার তৃণমূলের দুই শীর্ষ নেতা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় রাজ্যজুড়ে ঝোড়ো সফরে নামলেন। মুর্শিদাবাদের সাগরদিঘি ও সুতি বিধানসভা কেন্দ্রে বিশাল জনসভা শেষ করে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় যখন মালদহের বৈষ্ণবনগরের দিকে এগোচ্ছেন, ঠিক তখনই বাঁকুড়ার তালড্যাংরায় জনগর্জনে মেতে উঠলেন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়।
এদিন তালড্যাংরার তৃণমূল প্রার্থী ফাল্গুনী সিংহবাবুর সমর্থনে বিবড়দা কলেজ মাঠ থেকে বিজেপি এবং নির্বাচন কমিশনকে একযোগে আক্রমণ করেন অভিষেক। কখনও কেন্দ্রীয় এজেন্সির অতিসক্রিয়তা, আবার কখনও ভোটার তালিকা থেকে নাম বাদ দেওয়া (SIR) নিয়ে সরব হন তিনি। মঞ্চ থেকে তিনি স্পষ্ট হুঙ্কার দেন, “বাংলার মানুষ আমলা বা পুলিশের রদবদল দেখে ভোট দেবেন না, তাঁরা ভোট দেবেন উন্নয়নের নিরিখে।”
তালড্যাংরার সভা শেষ করে বিকেলেই পূর্ব মেদিনীপুরের কাঁথিতে পৌঁছানোর কথা রয়েছে ‘তৃণমূলের সেনাপতি’র। সেখানে রামনগরের একটি বেসরকারি হোটেলে জেলার নির্বাচনী পরিস্থিতি পর্যালোচনায় বসবেন তিনি। অধিকারী গড়ের এই বৈঠককে ঘিরে রাজনৈতিক মহলে প্রবল উত্তেজনা ছড়িয়েছে। একদিকে মমতা যখন উত্তরবঙ্গে দলের শক্তি ঝালিয়ে নিচ্ছেন, তখন দক্ষিণে মাটি কামড়ে পড়ে রয়েছেন অভিষেক। ভোটের আগে জোড়া নেতার এই হাই-ভোল্টেজ প্রচার তৃণমূল কর্মীদের মধ্যে নতুন করে অক্সিজেন জোগাচ্ছে।





