বুধবার বাংলার রাজনীতিতে এক বর্ণাঢ্য মুহূর্তের সাক্ষী থাকতে চলেছে ভবানীপুর। নিজের ঘরের মাঠে মনোনয়ন পত্র জমা দিতে চলেছেন তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। আর এই বিশেষ দিনটিকে কেন্দ্র করে গোটা ভবানীপুর জুড়ে এখন সাজ সাজ রব। তবে এবারের বিশেষ আকর্ষণ হলো ‘মিনি ইন্ডিয়া’র স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ।
মমতার পাশে সব সম্প্রদায়ের মানুষ: ভবানীপুর মানেই বৈচিত্র্যের মধ্যে ঐক্য। এই কেন্দ্রটি ‘মিনি ইন্ডিয়া’ হিসেবে পরিচিত কারণ এখানে বাঙালি, শিখ, গুজরাটি, পাঞ্জাবি, দক্ষিণ ভারতীয় এবং সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের মানুষের সহাবস্থান। তৃণমূল সূত্রে খবর, বুধবার মমতার মনোনয়ন মিছিলে পা মেলাবেন সমাজের প্রতিটি স্তরের ও প্রতিটি সম্প্রদায়ের মানুষ। শিখদের পাগড়ি থেকে শুরু করে দক্ষিণ ভারতীয়দের ট্র্যাডিশনাল পোশাক— সবই দেখা যাবে একই মিছিলে।
উৎসবের মেজাজে ভবানীপুর: মনোনয়ন পেশকে কেন্দ্র করে কেবল রাজনীতি নয়, ভবানীপুরের অলিগলিতে যেন উৎসবের মেজাজ। শঙ্খধ্বনি, উলুধ্বনি এবং বাদ্যযন্ত্রের তালে নেত্রীকে স্বাগত জানাতে প্রস্তুত স্থানীয় বাসিন্দারা। স্থানীয় এক বাসিন্দার কথায়, “দিদি আমাদের ঘরের মেয়ে। তিনি মনোনয়ন দেবেন, আর আমরা পাশে থাকব না, এটা হয় না।”
রাজনৈতিক গুরুত্ব: বিরোধী শিবির যখন হিন্দু-মুসলিম ভোটের মেরুকরণ নিয়ে ব্যস্ত, তখন ভবানীপুরের এই ‘মিনি ইন্ডিয়া’র সংহতিকে হাতিয়ার করে অসাম্প্রদায়িকতার বার্তা দিতে চাইছে তৃণমূল কংগ্রেস। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, ভবানীপুরের এই সর্বজনীন রূপই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দীর্ঘদিনের সাফল্যের চাবিকাঠি।





