মধ্যপ্রাচ্যের পরিস্থিতি এখন নিয়ন্ত্রণের বাইরে। সোমবার (২ মার্চ, ২০২৬) সকালে দুবাই, দোহা এবং মানামায় একাধিক বিকট বিস্ফোরণের শব্দে কেঁপে উঠল জনপদ। ইজরায়েলি প্রতিরক্ষা বাহিনী (IDF) দাবি করেছে, ইরানের পক্ষ থেকে নতুন করে ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা শুরু হয়েছে। খামেনেই হত্যার প্রতিশোধ নিতে ইরান এবার লক্ষ্যবস্তু করেছে উপসাগরীয় অঞ্চলে থাকা আমেরিকার ‘মিত্র’ দেশগুলিকেও।
আলোচনার পথ বন্ধ:
এদিন তেহরানের সুপ্রিম ন্যাশনাল সিকিউরিটি কাউন্সিলের প্রধান আলি লারিজানি স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, “ইরান মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে কোনও আলোচনা করবে না।” ট্রাম্প প্রশাসনের সঙ্গে আলোচনার সম্ভাবনা উড়িয়ে দিয়ে লারিজানি যুদ্ধের পথেই অনড় থাকার ইঙ্গিত দিয়েছেন। ইরানের দাবি, মার্কিন-ইজরায়েল যৌথ হানায় তাদের শীর্ষ নেতৃত্ব-সহ অন্তত ২০ জন নিহত হয়েছেন।
রণক্ষেত্র তেল আবিব ও এরবিল:
ইজরায়েলের তেল আবিব ও জেরুজালেমে ঘন ঘন বাজছে বিমান হানার সাইরেন। বেশ কিছু ইরানি ক্ষেপণাস্ত্র আকাশেই প্রতিহত করার দাবি করেছে ইজরায়েল। অন্যদিকে, ইরাকের এরবিল বিমানবন্দরের কাছে এবং মার্কিন কনস্যুলেট কমপ্লেক্সের ওপর ড্রোন হামলা হয়েছে। সংঘাতের তৃতীয় দিনে সংযুক্ত আরব আমিরশাহী এবং সৌদি আরবের রাজধানীতেও আছড়ে পড়েছে ক্ষেপণাস্ত্র।
নতুন নেতৃত্ব ইরানে:
সর্বোচ্চ নেতার মৃত্যুর পর দেশ পরিচালনার জন্য ৬৬ বছর বয়সী ধর্মীয় নেতা আলিরেজা আরাফিকে নিয়ে তিন সদস্যের নেতৃত্ব পরিষদ গঠন করেছে ইরান। যতক্ষণ না নতুন সর্বোচ্চ নেতা নির্বাচিত হচ্ছেন, ততক্ষণ এই পরিষদই পরিস্থিতির মোকাবিলা করবে।