বর্ষবরণের রাতে কোনোভাবেই যাতে আনন্দের মেজাজ বিষাদে না পরিণত হয়, তার জন্য কোমর বেঁধে ময়দানে নামল বসিরহাট জেলা পুলিশ। ইংরেজি নববর্ষের রাতে টাকি ও বসিরহাটের রাস্তায় মত্ত বাইকারদের দৌরাত্ম্য রুখতে রাতভর চলল কড়া নাকা চেকিং। ব্রেথ অ্যানালাইজার দিয়ে প্রতিটি সন্দেহভাজন চালকের পরীক্ষা করার পাশাপাশি বেশ কিছু বাইক ও গাড়ি বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে।
বসিরহাট ট্রাফিক ওসি সুশান্ত দাসের নেতৃত্বে আমতলা, দন্ডিরহাট সহ বিস্তীর্ণ এলাকায় ড্রপ গেট ও নাকা পয়েন্ট বসানো হয়েছিল। প্রশাসনের লক্ষ্য ছিল একটাই— ‘রোমিও বাইকার’দের বেপরোয়া গতি রুখে সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা। মত্ত অবস্থায় ধরা পড়লে কেবল জরিমানাই নয়, তাৎক্ষণিকভাবে গাড়ি আটক এবং চালকের ড্রাইভিং লাইসেন্স বাতিলের মতো কঠোর পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।
ইছামতী নদীর তীরের পর্যটনকেন্দ্র টাকিতে থিকথিকে ভিড় সামলাতে সীমান্ত সংলগ্ন সড়কগুলোতেও তল্লাশি চালানো হয়। শুধু মদ্যপান পরীক্ষা নয়, সীমান্তবর্তী এলাকা হওয়ায় কোনো নাশকতার ছক রয়েছে কি না, তাও খতিয়ে দেখেন পুলিশ আধিকারিকরা। পুলিশের এই অতি-সক্রিয়তায় খুশি সাধারণ পর্যটক থেকে স্থানীয় বাসিন্দারা। তাঁদের মতে, প্রশাসনের এই কঠোর অবস্থানের কারণেই এ বছর অপ্রীতিকর দুর্ঘটনা এড়িয়ে নির্বিঘ্নে নতুন বছরকে স্বাগত জানাতে পেরেছেন সকলে।